পোস্টগুলি

March, 2007 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আরেকটিবার-

না না, নষ্টালজিয়ায় পায় নি, আজ আবার অষ্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ম্যাচ। নিজে নিজেই তাই পুরোনো খেলা দেখছি বসে বসে। কোন উদ্দেশ্য নেই, মনের গভীরে লুকানো কোন বাসনাও নেই, জাস্ট স্মৃতিচারণ আর কি! :-))

বুদ্ধিমানের জবানবন্দী-

ছবি
সাপ্তাহিক ২০০০ এর এবারের ইস্যুটাতে ডা: এম এ হাসানের সাক্ষাৎকার পড়লাম মাত্রই। এম এ হাসানকে চিনেন না? চেনার কথাও না অবশ্য- উনি বোকা সোকা মানুষ, ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ান, সেই কর্মের পরিচিতি হিসাবে আবার রাশভারী একটা পদবীও দখল করে নিয়েছেন- সেটা কি? সেটা হলো- আহবায়ক, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি। এবারে কি কিছুটা বুঝা গেলো? আরেকটু বুঝিয়ে বলি তাহলে, ৭১ এ পাকি সেনা ও রাজাকাররা এ দেশে নির্বিচারে যে গণহত্যা চালিয়েছিলো, উনি সেটার বিচার চান। সেই বিচারের জন্যে প্রমাণ খুঁজতে গিয়ে উনি সারা দেশে সেই হত্যালীলার চিহ্ণ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তিনি জানালেন, সারা দেশে বধ্যভূমি রয়েছে পাঁচ হাজারের মতন, শনাক্ত করা গেছে ৯২০ টি। ৯৯ সাল থেকে শুরু করেছিলেন, কাজ এখনো চলছে, তবে সেটাও মৃতপ্রায়।
না, উৎসাহের অভাব ঘটেনি, আর্থিক টানাটানিই মুল কারণ। কোন সরকার কখনো তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে নি, কেউ কোন আর্থিক সাহায্যও করেন নি।

করবে কেন? আমাদের কি আর কাজ নেই? এম এ হাসান না হয় পাগল কিসিমের মানুষ, আমরা তো নই! এত বছরের পুরোনো ইতিহাস ঘাটায় আমাদের তাই উৎসাহ নেই। কানের পাশ থেকে যখন ঘাতকদের পরবর্তী প্রজন্ম খলখলিয়ে হাসি দিয়ে বলে, প্র…

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো

স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো
নির্মলেন্দু গুণ
----------------------------------------

একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে
লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে
ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: " কখন আসবে কবি?'

এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না,
এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না,
এই তন্দ্রাচ্ছন্ন বিবর্ণ বিকেল সেদিন ছিল না৷
তা হলে কেমন ছিল সেদিনের সেই বিকেল বেলাটি?
তা হলে কেমন ছিল শিশু পার্কে, বেঞ্চে, বৃক্ষে, ফুলের বাগানে
ঢেকে দেয়া এই ঢাকার হদৃয় মাঠখানি?

জানি, সেদিনের সব স্মৃতি ,মুছে দিতে হয়েছে উদ্যত
কালো হাত৷ তাই দেখি কবিহীন এই বিমুখ প্রান্তরে আজ
কবির বিরুদ্ধে কবি,
মাঠের বিরুদ্ধে মাঠ,
বিকেলের বিরুদ্ধে বিকেল,
উদ্যানের বিরুদ্ধে উদ্যান,
মার্চের বিরুদ্ধে মার্চ ... ৷

হে অনাগত শিশু, হে আগামী দিনের কবি,
শিশু পার্কের রঙিন দোলনায় দোল খেতে খেতে তুমি
একদিন সব জানতে পারবে; আমি তোমাদের কথা ভেবে
লিখে রেখে যাচ্ছি সেই শ্রেষ্ঠ বিকেলের গল্প৷
সেই উদ্যানের রূপ ছিল ভিন্নতর৷
না পার্ক না ফুলের বাগান, -- এসবের কিছুই ছিল না,
শুধু একখন্ড অখন্ড আকাশ যেরকম, সেরকম দিগন্ত প্লাবিত

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে-

বাংলালিঙ্কের নতুন এই বিজ্ঞাপনটা দেখলাম বসে বসে। কি বলবো কিছু বুঝে উঠতে পারছি না-

সাহানার গানঃ নতুন করে পাবো বলে-

ছবি
এতদিন যে বসে ছিলেম পথ চেয়ে আর কাল গুনে, দেখা পেলেম ফাল্গুনে...।
গত কদিন ধরে একটানা শুনে যাচ্ছি সাহানার গান। বাইরে যতক্ষন আছি, সারাক্ষনই কানে বাজছে । বাসায় ফিরেও শুনেই চলেছি।
পুরো এলবামটাই ভাল লাগার মতন। গানগুলো বেছে নেয়া হয়েছে অনেক যত্ন করে। রবীন্দ্রনাথের অল্প কিছু গানই ঘুরে ফিরে শুনতে পাওয়া যায়। যারা রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিশেষ ভক্ত, তাঁরা বাদে বাকিদের জন্যে কিছু অপ্রচলিত গানও গেয়েছেন সাহানা।
এমনিতে অর্ণব-সাহানা জুটি আমার খুব পছন্দের। সাহানার লেখা অর্ণবের সব কয়টা গান খুব প্রিয় আমার। দু'জনে মিলে ইতিমধ্যেই বাংলা গানকে অনেক দিয়েছেন, নতুন করে পাবো বলে- নামের এই এলবামটা নিঃসন্দেহে তার সাথে খুব ভাল একটি সংযোজন।
সাহানার গলা অদ্ভুত ভাল। খানিকটা ছেলেমানুষী ভাব রয়ে গেছে, এবং একটুখানি বিষন্ন যেন, খুব মনোযোগে শুনতে থাকলে বুকের ভেতরে কোথাও যেন হুট করে ফাঁকা লাগা শুরু করে। কিছু গানের বিশেষ কিছু জায়গা বারবার শুনতে ইচ্ছে করে। মোর ভাবনারে কি হাওয়ায় মাতালো..., এখানে মাতালো বলে যে টানটা দেয়, আমি বারবার পিছিয়ে গিয়ে শুনি। তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে... এ গানটাও অদ্ভূত ভাল গেয়েছে সাহানা। আজ জোছনা রাতে সবাই গ…

হালুম হুলুম ক্রিকেট খেলুম-

ছবি
আমার সৌভাগ্যই বলতে হবে, শেষবার বাংলাদেশের খেলা লাইভ দেখেছিলাম কার্ডিফের সেই ম্যাচটা, যেটায় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিয়েছিলো তারা। আর তারপরে আবার দেখলাম গতকালের ম্যাচ
সুতরাং এরপর থেকে বাংলাদেশের খেলা দেখা মানেই একটা করে সুখস্মৃতি বাড়বার সম্ভাবনা, এরকম কোন আশাপ্রদ ভাবনা মনে উঁকি দিলে নিজেকে দোষাই কেমন করে?

ক্রমশঃ জয় পাওয়ায় অভ্যস্ত হচ্ছে আমাদের দেশ। এরকম জয়ে খুব বেশিদিন আর টিএসসিতে মিছিল করবো বলে মনে হয় না। একসময় আমরা নিশ্চয়ই বাংলাদেশ হেরে গেলে রেগে যাওয়ার মত আভিজাত্যে পৌঁছে যাবো। অনেকদিন পর পর দুয়েকটা হারে বাশার বা তাঁর পরবর্তীদের পদত্যাগ চাইবার মত বিলাসিতার দিনও আমাদের খুব বেশি দূরে নেই, এই আনন্দভাবনায় আমার আজকের সারাটা দিন কেটে গেল।

কালকের খেলাটা অন্য জয়গুলোর চেয়ে অনেকাংশেই আলাদা। শুরু থেকে একদম শেষ পর্যন্ত আর কখনো একক আধিপত্য বিস্তার করে জিতেছে বাংলাদেশ- ঠিক এরকমটা দেখি নি। একবারের জন্যেও তাঁদের ভীত মনে হয় নি। পেশাদার ক্রিকেটের সুন্দর উদাহরণ দেখিয়েছে তারা বোলিং ব্যাটিং ও ফিল্ডিং-এ।
তামিমের খেলা আগে দেখি নি। ভীষন জেদী ছেলেটা। মুনাফ পাটেলের সাথে বিরামহীন তর্ক বা জহির খানের বাউন্সারের জবাবে …

আমার-আপনার নন্দীগ্রাম

ভারতের নন্দীগ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে ইন্দোদা একটা পোষ্ট করেছেন গুরুচন্ডালিতে
লেখাটি আমার ব্লগে তুলে দেয়াটা আবশ্যক মনে হোল।
--------------------------

কাল সারাটা দিন হাসপাতালে নানান ঝুট-ঝামেলায় কেটেছে৷ যেমন আর পাঁচটা কাজের দিন যায়, তার থেকে একটু বেশীই৷ সাঁঝের ঝোঁকে সোফাতে একটু গা এলালেই নয় যখন, ডক্টর"স রুমে ঢুকতেই কলকল করে বন্ধু ও সহকর্মীরা জানাল -আবার বাংলা বন্ধ৷ শুক্রবার৷
কে ডাকল?
কে আবার, দিদি ছাড়া?
কেন হে?
নাকি নন্দীগ্রামে কিসব ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট হয়েছে৷
আ-ব্বার বন্ধ, শুক্কুরবারদিন যে আমার চব্বিশ ঘন্টা ডিউটি! কিছু বাছা বাছা খিস্তি ঠোঁটে আসছে, এক-আধটা বলেওছি, সুরঞ্জনাদি বলল-নারে, অনেক লোক মারা গেছে৷
তখনো ভাবছি-নিশ্চয়ই কৃষিজমি বাঁচাও কমিটির সঙ্গে সিপিএম ক্যাডারদের খুচরো ক্যালাকেলি৷ তো, ধরো অনিকেশদাকে৷ অনিকেশদা (নাম পাল্টে দেওয়া হল) আমাদের কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট ও মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র; মাই ডিয়ার লোক৷

অনিকেশদা জানাল, না, সিপিএম নয়, ক্যাডার নয়, বিশাল পুলিশবাহিনী ঠান্ডা মাথায় গুলি চালিয়ে মানুষ মেরেছে৷ মেয়েরাও মারা গেছে৷ বুদ্ধবাবু (উত্তেজিত গলায়) মেদিনীপুরকে শেষ না করে থামবে…

যায়যায়দিন ও ব্লগ বিষয়ক লেখা নিয়ে হাবিজাবি কথা-

এমনিতে যায়যায়দিন পত্রিকা পড়ি না। ওদের কার্যকলাপ পছন্দ নয়। আমার একজন প্রিয় ব্লগার, যার একটা বৃহৎ স্বপ্নের বাস্তবায়নে নিজের ক্ষুদ্্র অবদান রাখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলাম, তিনি সে পত্রিকায় কাজ করেন জানতে পেরে আমি বেশ কদিন দ্বিধায় ভুগেছি এই ভেবে যে, আমাদের মতের মিল হবে তো?
ভাগ্য ভালো যে প্রাকৃতিক ভাবেই সেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম।

যায়যায়দিনের ওপর নানা কারণে রাগ। ওদের বানানরীতি নিয়ে অনেক আপত্তি করা যায়, আনন্দবাজারের চেয়ে কোন অংশে কম যায় না তারা। তারচেয়ে বড় কথা, একটা দীর্ঘসময় ধরে যায়যায়দিন আমাকে বোকা বানিয়ে এসেছে! আওয়ামীলীগের ক্ষমতার পুরোটা সময়ে আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত যায়যায়দিন পড়তাম। সে সময়ে সরকারের ধারালো সব সমালোচনা করতো পত্রিকাটি। নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো- এরকম ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে আমি ভাবতাম, কি দারুন সাহস এদের, সরকারকেও ছাড়ে না, কি দারুন দেশপ্রেম!
পরবর্তীতে বিএনপির আমল শুরু হলে মাসকয়েক যাবার পরেই আমি যায়যায়দিনের আসল চরিত্র বুঝতে পেরে সে পত্রিকা পড়া ছেড়ে দিলাম। এখন একেবারেই পড়ি না।

ব্লগ নিয়ে ইদানীং নানা পত্রিকায় লেখালেখি হচ্ছে। বেশ উৎসাহব্যাঞ্জক ব্যপার। আমাদের ব্লগের কৌশিক…

বাংলাদেশ নিয়ে হতাশা কেন?

বাঙালি আড্ডাগুলো আমার খুবই অপছন্দের। প্রায় একই ধরণের ঘ্যান ঘ্যানে ও ঘিন ঘিনে আলাপের চল সেখানে। শুরুতে দুয়েকটা আড্ডায় আগ্রহ ভরে গিয়েছিলাম, এবং তখনকার অভিজ্ঞতা থেকে মনে মনে কান ধরেছি, বাপু হে, আর নয়। এইবার ক্ষ্যান্ত দাও।

আড্ডাগুলোর যে ব্যাপারটা আমার সবচেয়ে অপছন্দ, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এলেই দেখা যায় সবাই চরম হতাশাবাদী হয়ে উঠেছে। নাক কুচকে ভুরু বাঁকিয়ে কাঁধ নাড়িয়ে সবাই উদাস গলায় বলে, নাহ, এই দেশ দিয়ে কিছু হবে না।
আমি তখন গলা নরম করে জিজ্ঞেস করি, কেন হবে না বলুনতো, কি মনে হয় আপনার? কোথায় সমস্যা?
এরকম সরাসরি জিজ্ঞাসায় বক্তা সাধারণত একটু বিহবল হয়ে যান। এদিক ওদিক তাকিয়ে দুয়েকজন সমর্থক খোঁজার চেষ্টা করেন। কারণ সম্ভবত আর কোন আড্ডায় এরকম হতাশ দীর্ঘশ্বাসের পরে তাকে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় নি। অন্য যারা দীর্ঘশ্বাস রেডি করেছিলেন, তারা সম্ভবত আমার আক্রমণাত্মক ভাবভঙ্গি দেখে সেগুলো আর বেরুতে দেন না, আটকে ফেলেন। আর মূল বক্তা তখন গলা খাঁকারি দিয়ে বলে ওঠেন, না, এই যে দেখেন, চারিদিকে সন্ত্রাস, দূর্নীতি জীবনের নিরাপত্তা নেই, এরকম হলে একটা দেশ কেমন করে উঠবে বলেন? দেখেন আমাদের পাশের দেশ সিঙাপুর, মালয়েশিয়া ওরা …

রাইট অর রং-

ছবি
মাই কান্ট্রি!!!

ওয়ান বেগম ডাউন-

দি ইকোনোমিষ্টে একটা লেখা পড়লাম। শিরোনাম বেশ মজার- "ওয়ান বেগম ডাউন''।
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানকে গ্রেফতার করার পরে লেখা প্রতিবেদনটা। তারেক রহমানের সুপ্রচলিত ডাক নামটাও এখানে বলে দেয়া হয়েছে- মিষ্টার টেন পার্সেন্ট। তার মায়ের আমলে বাংলাদেশে যতগুলো বিজনেস ডিল হয়েছে তার সবগুলো থেকেই তারেক রহমান টেন পার্সেন্ট চাঁদা পেতেন- এরকমই শোনা যায়।
তারেক রহমানের চাঁদাবাজীর ব্যাপকতা নিয়ে অবশ্য আরো অনেক গল্প প্রচলিত আছে।
ইকোনোমিষ্টের প্রতিবেদনটা পড়ে ভাল লাগলো। ওখানে অবশ্য বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পেছনে সামরিক বাহিনির হাত থাকবার কথা একদম সরাসরি বলা হয়েছে। অবশ্য বলুক আর না বলুক, বুদ্ধিমান মাত্রই সেটা ধারণা করাটা খুব কঠিন কিছু না।
লেখাটিতে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে যে একজন বেগম ডাউন হয়েছেন, এখন বাকিজন গেলেই বাংলাদেশ আপাতত হাঁপ ছেড়ে বাঁচবে!
কোন বাংলাদেশী লিখেছেন কি-না রিপোর্টটা জানি না, তবে বলেছেন একদম আমাদের মনের কথা!

শিমুল মুস্তাফার আবৃত্তিঃ মকবুল সমুদ্রে যাবে-

শিমুল মুস্তাফার প্রসঙ্গে কে যেন একবার বলেছিলেন, সম্ভবত লুৎফর রহমান রিটন, নাকি অন্য কেউ ভুলে গেছি, যে, এত ছোট্ট একটা শরীর থেকে এত জোরালো শব্দ কেমন করে বের হয় ভাবতেই অবাক লাগে!
গানের মতই আবৃত্তি বিষয়ক কোন জ্ঞান নাই আমার। শুনে শুনেই যতটুকু বুঝি সেটুকুই, মানে হলো, শোনার জন্যে তৈরি দু'খান কানের কল্যাণে বুঝবার জন্যে তৈরি একটা প্রাণ পেয়ে গেছি আমি, সেটাই ভরসা!
আবৃত্তির জন্যে পাগল আরো অনেক আগে থেকেই। আমি আর আমার পিঠাপিঠি ছোটমামা একসাথে বড় হয়েছি। আমি যখন সেভেন বা এইটে, ঐ সময় ওনার মনে অনুরাগের আবির্ভাব হয়েছিলো- তখন তিনি সারাদিন আবৃত্তি শুনতেন। মাহিদুল ইসলাম আর শমী কায়সারের বিনাশ ও বিন্যাসে শুনতে শুনতে প্রায় মুখস্খ হয়ে গেছিলো- আমার আবৃত্তি-প্রেমও আসলে তখন থেকেই।
পরবর্তিতে কার্জন হলের ছাত্র হবার সুবাদে টি.এস.সি যখন আমার সেকেন্ড হোম, তখন অনেকগুলো আবৃত্তি সংগঠনকে কাছ থেকে দেখেছি, অনেকগুলো প্রোগ্রামে গিয়েছি। ঐ সব আবৃত্তি সংগঠন গুলার প্র্যাকটিসে যাওয়াটা আমার কাছে ভীষন লোভনীয় লাগতো- নিজে যদিও কখনো আবৃত্তি করি নাই কিন্তু পাশে থেকে শুনেও শান্তি লাগতো!
তখুনি টের পেয়েছি যে প্রতিষ্ঠিত অনেক আবৃত্তিকারের চেয়ে…

হোয়াট আ ডে!!!

ছবি
রাতে ভালো ঘুম হয় নাই তাই সকালে যখন ক্লাসে যাবার জন্যে উঠতে হইলো মেজাজ গেলো বিলা হইয়া। বিলা হওয়া মেজাজে পি.সি.র সামনে বইসা দেখি বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডরে শোয়াইয়া ফালাইছে! মনটা খুশিতে আনচান কইরা উঠলো কিন্তু ক্লাশে গিয়া পাইতে লাগলো বেজায় ঘুম। যাওয়ার সময় হাউজমেটের গাড়িতে চইড়া গেছিলাম তাই সীটের মধ্যে আরাম কইরা চোখ বুইজা ছিলাম। কিন্তু আসার সময় ও আর আসবো না এদিকে আমার গাড়ি আনি নাই তাই বাসে যাইতে হইবো। বাসের লাইগা লাইনে দাঁড়াইয়া দেখি গত সাত বছরে এই প্রথম আমি মানিব্যাগ বাসায় ফেইলা বাইর হইছি! মানিব্যাগের মইধ্যে আমার ব্যাংক কার্ড বাসের টিকেট সব কিছু। এখন ঐসব বাদ দিয়া কেমন কইরা কি দিয়া টিকেট কাটুম বুঝতাছি না কিন্তু ভাগ্য ভালো যে আমার আরেক হাউজমেট একই বাসে কইরা সিটিতেই ল'ইয়ারের লগে দেখা করতে যাইবো। আমি ওর কাছ থেইকাই তিন টাকা ধার লইয়া আমার কাছ থেইকা ২০ সেন্ট দিয়া একটা দুই ঘন্টার টিকেট কাইটা বাসে চইড়া আমার সাবআর্বে হাজির হইলাম। ঐখানে গিয়া আবার বাস বদলাইতে হইবো কারন এই বাস আমার বাসার সামনে দিয়া যায় না কিন্তু ঐ বাস যাইবো। বাসের লাইগা গালে হাত দিয়া বইসাই আছি বইসাই আছি কিëতু বাস আর আসে না। যাক অবশেষে …

বাংলাদেশ সম্পর্কিত মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ-

গুরুচন্ডালির টইপত্তরে অরিজিৎদা বাংলা বর্ণমালা বিষয়ক একটি পোষ্ট দিয়েছেন।
অনেকদিন বাদে সেখানে গিয়ে জনৈক 'B'- এর সাথে বাংলাদেশ সম্পর্কিত ভুল তথ্যের ব্যপারে কিছু চিঠির আদান প্রদান হয়েছে।
এ ধরণের লেখাগুলো হারিয়ে যায় বিধায় সেগুলোকে এখানে তুলে রাখা দরকার বলে মনে হোল।

--------------
২ মার্চ, ২০০৭ ভারতীয় সময় সন্ধ্যে ৭টা ৩৬ এ 59.93.192.253 আইপি থেকে B লিখেছিলেন-

পুরোনো কচকচির পুনরাবৃত্তি :

বাংলাদেশে, আমার জ্ঞান অনুযায়ী, বিসর্গ এব ংচন্দ্রবিন্দুকে তাদের প্রয়োগ আর ব্যবহারের স্বল্পতার কারণে বাংলা বর্ণমালা থেকে লুপ্ত করা হয়েছে৷

আমার মতে সনাতন ধর্মের সংস্কৃতির পূজা পার্বণের মন্ত্রে এই দুই অক্ষরের প্রয়োগ এত বেশী, সেই কারণে এব ংসনাতন ধর্মের প্রয়াত ব্যক্তির নামের পূর্ব্বে চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহারে সংখ্যলঘুদের পূর্ব্বজদের বা প্রয়াত ব্যক্তির কল্পিত ঈশ্বরলোকবাসের চিন্তাকে মাথায় রেখে সংখ্যালঘুদের উপরে আঘাত হানার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে৷

আমার বক্তব্য ছিলো, আজও আছে, যে ঐ একই কারণে, অনুস্বার-এর লোপ পাওয়া উচিত ছিলো, কিন্তু সেই কাজ করলে বাংলাদেশ রাষ্টের্র নাম লেখায় বিরাট অসুবিধে হোত৷

সেরকমই খণ্ড…

মণি মুক্তো-

গত কয়েকবছরের মতন এবারেও বইমেলা মিস করলাম। এরকম আরো কতবার করতে হবে কে জানে?
বইমেলা নিয়ে সুন্দর একটি রিপোর্ট পেলাম আজ সাপ্তাহিক ২০০০ এ।
অনেকগুলো বইয়ের প্রচ্ছদসহ বেশ গুছানো একটি রিপোর্ট।
সেই সাথে আরেকটা প্রতিবেদন পাওয়া গেল- ছবি সহ, চেনাজানা অনেক কবি ও সাহিত্যিকদের নিয়ে-, এটাও চমৎকার!

রোজনামচা-

ছবি
সূর্যোদয়-
---------
আকাশ ভরা মেঘমালা। কালো কালো আর বাদামী। বৃষ্টি হতেও পারে, আবার নাও পারে। তবে আকাশের মেঘের একটা বিশাল অংশ মনের মাঝে গিয়ে ঢুকে বসে আছে।
বাইরে বৃষ্টি নেই, কিন্তু ভেতরে অঝোরে ঝরে যাচ্ছে কেবল- । মুষলধারে। টুপুর টাপুর, টাপুর টুপুর।

“আদরে সোহাগে প্রেমের পরশ দিয়া-
কবির বেদনা বহন করে কি প্রিয়া?''
কার কবিতা? ভুলে গেছি, ভুলেই যাই শুধু- নির্মলেন্দু কি? তাই হবে!

মধ্যাহ্ণ-
------
শিলাজিৎের গান শুনে চমকে গেছিলাম প্রথম। আজগুবি টাইপের ভাষা। তবে দূর্দান্ত হলো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক! কোন একটা গানে, পেছনে খবর বাজতে থাকে, রেলের শব্দ, পাশেই কোন এক হকার, একটা সিনেমার দৃশ্য যেন, এবং তার মাঝ থেকেই হঠাৎ শিলাজিৎ গেয়ে ওঠে জটিল সব গান। এটা যেরকম: এক্স=প্রেম!
এই মূহুর্তে আরো একটা গান শুনছি- তুমি যা জিনিস গুরু আমি জানি আর কেউ জানে না।
মজার গানটা।

অপরাহ্ণ-
-------
ঘোষনা জিনিসটা আমাদের জীবনে খুব প্রয়োজনীয় হয়ে গেছে মনে হয়।
ছোটবেলায় মাইকে বেজে উঠতো- একটি ঘোষনা- সাথে সাথে কান পাততাম, আবার কার কী হলো? বেশিরভাগি দেখা যেত বিদ্যুত বা গ্যাস বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় কিছু।
কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা দেয়াটাও খুব আবশ্যক হয়ে…