পোস্টগুলি

April, 2006 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমার পছন্দের লিংক

আমার পছন্দের লিংক বলা যায়। অথবা বলা যায় যেসব সাইটে আমি বেশি বেশি যাই।
সবগুলো একসাথে এখানে রেখে দিলাম। যেন, হুট করে এখানে এসে এক ক্লিকে চলে যেতে পারি।
পছন্দের ক্রমানুসারে নয়, মাথায় যেটার পর যেটা এসেছে, সেই সিরিয়ালে সাজালাম।
নতুন কোন সাইট পছন্দ হলে তুলব এখানে, আবার হয়ত কিছু বাদ পড়ে যাবে।
নিয়মিত আপডেট হবে- এটা ঠিক।

এক- ব্লগ বা পার্সোনাল সাইট

১- এইটা তোমার গান -
( আমাদের পছন্দের গান, কবিতা বা গল্পাংশগুলোকে একসাথে করে রাখার জন্যে এই ব্লগ)।
২- দ্য কমস -
(আমাদের বন্ধুদের ব্লগ। মূলত আড্ডাবাজির জন্যে, সেই সাথে অনেক কিছু শেয়ার করার জন্যে।)
৩- সামহোয়্যার ইন ব্লগ সাইটটিতে আমার পছন্দের কিছু পেজ-, সবার সব কথার সাথে যে একমত তা নয়, কিন্তু প্রত্যেকের লেখাই পড়তে ভাল লাগে।
- শুভ (মুক্তিযুদ্ধের অসাধারন দলিল )
-হাসান মোরশেদ
-অমি রহমান পিয়াল - (আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু দারুন প্রতিবেদন আছে এখানে।)
- মাশীদ আপু -( )
- অরূপ দা -( )
- সাদিক মোহাম্মদ আলম -( চিন্তার ধরণটা বেশ ভাল লাগে, তাই পড়ি ।)
- মুখফোড় -( ইন্টারেস্টিং! )
- লুনা রুশদি -( )
- ব্রাত্য রাইসু -( )
- জুয়েল -( তথ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে অনেক জানবার …

বাংলায় কি করে ব্লগ বানানো যায়

বাংলায় কি করে ব্লগ বানানো যায় ।

এটা খুব সোজা। কি করে বানানো যায় এভাবে না লিখে বরং এটা কি করে বানালাম সেটা লিখি। একদম সহজ আর ছোট্ট করে লিখব।
১। প্রথমে ব্লগার সাইটে একটা একাউন্ট খুলেছি। ওদের হোমপেজে গিয়ে খুব সহজেই সেটা খোলা গেছে। যে কোনো মেইল একাউন্ট খোলার মতই সোজা এটা।
২। পছন্দের নাম সিলেক্ট করে তারপর এটার গেট-আপ সিলেক্ট করলাম। template - এ গিয়ে এটা করেছি। প্রথমে যেটা করেছি সেটা অবশ্য পরে বদলেছি আবার। তবে শুরুতেই খুঁজে পেতে ভালো একটা বেছে নেয়া বুদ্ধিমানের মত কাজ হবে। সেটা কেন? একটু পরে বলছি।
৩। রেজিস্ট্রি করা হয়ে গেলে settings এ গিয়ে ব্লগের টাইটেল লিখেছি। আর তার নীচেই description।
settings - এ নানা রকম ব্যাপার ঠিক করে নিয়েছি। যেমন , যে কেউ কমেন্টস করতে পারবে কি না, নাকি শুধু মেম্বাররা পারবে। এসব। ব্লগে শুধু আমিই লিখব নাকি আন্যরাও, সেটাও ওখানেই সিলেক্ট করা যায়।
৪। সব ঠিক করা হয়ে গেলে posting - সেকশনে গিয়ে লেখা পোষ্ট করা শুরু করেছি। compose অথবা edit html - দুই ভাবেই লেখা যায়।

এবার হল আসল ব্যাপার।
কি করে বাংলায় লেখা যায় ।
আমি ইউনিকোড ফন্টে লিখেছি।দুটা সফটওয়্যার ব্যবহার করেছি। এক হল গুরুচন্ডালি-তে…

বাংলা লেখা

সামু'পা, আর শুচিদি, দুজনে শোনো।
অরকুট বা যে কোনো ওয়েবসাইটে বাংলায় লিখতে হলে ইউনিকোড ফন্ট ব্যবহার করাই ভাল। ইউনিকোড ফন্টের সুবিধা কি তা এখানকার আগের কিছু পোষ্ট পড়লে জানতে পারবে।
ঈশানদা'র বাংলা এডিটর দিয়ে ইউনিকোড ফন্টে লিখে অরকুটে কপি-পেস্ট করে দিতে পারো। সেক্ষেত্রে তোমরা লিখবার সময় বাংলাপ্লেইন ফন্ট সিলেক্ট না করে সোলাইমানলিপি ফন্ট সিলেক্ট করে লিখবে। তারপরে সেটা কপি করে পেস্ট করে দিতে পার।
সোলাইমান লিপি ফন্ট পাবে - এই সাইটের ডানদিকে, দেখ- ফন্ট ডাউনলোড বলে একটা লিংক আছে, ওটায় ক্লিক করলে পাবে।

আর, কপি-পেস্ট না করে সরাসরি বাংলায় লিখতে চাইলে তোমাদের আভ্র কি বোর্ড ইন্সটল করতে হবে।
অভ্র পাবে কোথায়? দেখি- বুদ্ধি করে বের করতে পারো কি না!
দেখো ট্রাই করে। ঃ-)

বাংলা আসছে না

কোন এক আজব কারনে আমি আজ মজিলা দিয়ে এখানে বাংলা দেখতে পারছি না।
অথচ এক্সপ্লোরারে ঠিকই বাংলা দেখছি সুন্দর ।
আবার, আমার অন্য দুটো ব্লগেও বাংলা দেখা যাচ্ছে ।
এরকমটা হবার কথা নয় ।
কেন এরকম হচ্ছে?

আজ খুব ঝড়-বৃষ্টি হলো

ছবি
আজ খুব ঝড়-বৃষ্টি হলো এখানে ৷ পুরো মেলবোর্নে ৷
বিপি-তে কাজ শেষ করে ফিরবার পথে দেখি রাস্তায় গাছ উপড়ে পড়ে আছে !
অল্পের জন্যে পাশে রাখা গাড়িটা বেঁচে গেছে !
ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুললাম ৷ কিন্তু হেডলাইটের আলোয় ভালো আসেনি ৷ তাই পরে বীম মেরে তুললাম ৷
মোটামুটি এসেছে এবার ৷

আরো খানিকদূর এসে দেখি রাস্তার সিগন্যাল কাজ করছে না ৷ চারপাশে গাড়ি জমে গেছে ৷ কে কোনদিক দিয়ে যাবে ঠিক করতে না পেরে সবাই দাঁড়িয়ে আছে ৷ আমি কোন এক ফাঁকে পাশ কাটিয়ে বের হয়ে এলাম ৷

এখানে আসবার পরে এরকমটা দেখিনি ৷ কালকের পেপার পড়তে হবে ৷

তিতলি -

ছবি
তিতলি -
----------------
আমার আকাশসীমা বেঁধে দেয়া আছে ৷
তবু,
সংকোচ পায়ে নিয়ে তোমার নিকটে গিয়ে ,
যখনি দাঁড়াই -

আশার পাখিকে নিয়ে সীমানা ছাড়াই !

***************

তিতলি সিরিজের এটা প্রথম কবিতা ৷
বাকিগুলো তুলে দিবো আস্তে আস্তে ৷

কবিতা ৩ - যুযুধান

যুযুধান

সেই বর্ষালগ্ন থেকে শুরু করেছি
আজ আমার বসন্ত-দিন ৷

বিন্দু বিন্দু বিষপানে
আমি আজ নীলকন্ঠ ৷
অবসাদে অবসন্ন ৷
পৃথিবীর সব বিষ শুষে নিয়ে
আমি পরিশ্রান্ত ৷

তবু - -, সুকঠিন প্রতিজ্ঞা - -
বিষমুক্ত করব আমার পৃথিবীকে , সুধাময় ৷

মূমুর্ষু আমি, শরীরে অনল-জ্বালা;
তবু আকাশে বাতাসে আজ নেচে বেড়াব
-- কোথাও এতটুকু বিষ
লুকিয়ে নেইত!

কবিতা ২ - প্রিয় বন্ধু

প্রিয় বন্ধু -

সেদিন হঠাত্ সে বলে, অনেকদিন তো তোমার কাছে,
এবার তবে যাই ৷
দৃষ্টিতে বিষন্নতা নিয়ে আমি তাকালাম তার দিকে -
সে চলে যাবে !!
আমায় সে বুঝতে পারে ৷
হেসে বলে- কত দিন, মাস, কত বছরই না পেরিয়ে গেল;
কত স্মৃতি, কত সময়, আর কত !
এবারে যাই?

আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলি-
হ্যা, আর কত, আশি বছরতো বটেই ৷
একটা সময়ে কত স্বপ্নই না ছিল- হেন করব , তেন করব;
করা হয়নি কোন কিছুই,
অনেক কিছুই করেওছি আবার !

জানালার বাইরে দৃষ্টি থমকে যায়;
সারি সারি কৃষ্ঞচূড়া, মাঝে একফালি চাঁদ ৷
বিষন্ন জোছনার নূপুর পায়ে কে যেন ছুটে চলে গেল ৷
আমি তার দিকে তাকালাম,
মুখে ম্লান হাসি তার ৷
সে বলে- অসুবিধে কি, পাবে নতুন বন্ধু ৷
তার চোখে মুক্তির উচ্ছলতা খেলা করছে ৷
দূরে কোথাও বিরহের সানাই বেজে উঠে,
" নিয়ে যাবার পালকি এসে দাঁড়ায় দুয়ারে- "
কোথায় যেন পড়েছিলাম ৷

আরও একটি নি:শ্বাস,
তারপর আবার,
তারপর আবার ৷
অস্ফূটে বলে উঠি- বিদায় !

অত:পর-
জীবন বিদায় নেয়-
জীর্ণ এই আমার কাছ থেকে ৷

২৬/০৭/১৯৯৭

গদ্য ১ - প্যাচাল

প্যাঁচাল


এইচএসসির পর কোচি ংকরতে আমরা যারা " ফরেইনার ' অর্থাত্ ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকায় আসি,থাকার জন্য " এক টুকরো ' জায়গার খোঁজে আমাদের যে কি ঝক্কি পোহাতে হয় সে শুধু আমরাই জানি৷ ঐ যে বলে না, " কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে৷৷৷ ' সত্যিই সে এক বিষময় যাতনা!

তো ধন নয়,মান নয়,এতটুকু বাসা ... থুক্কু বাসা নয়,মেস৷ সেই মেস খোঁজার জন্য আমি আর আমর বন্ধু চপল পুরো ফার্মগেট এলাকা চষে বেড়াচ্ছি৷ ফার্মগেট কেন? কারণ,কোচি ংসেন্টারগুলো সব ওখানে গিয়েই " উত্পাদিত ' হয়েছে৷ কিন্তু কোথাও ভ্যাকেন্সি নাই৷ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে ফোন করি; কিন্তু কাজ হয় না৷ পরে ঠিকানা টুকে নিয়ে হাঁটা দিলাম৷ যেখানেই দেখি " টু-লেট ' অথবা " রুম ভাড়া দেয়া হবে ' - সেখানেই একবার করে ঢু ঁমারি৷ কিন্তু হায়! বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হয় আরও আজব অভিজ্ঞতা৷ প্রথমেই জিজ্ঞেস করে " আপনারা কি স্টুডেন্ট?'

ঘাড় কাত করে স্টুডেন্ট হওয়ার অপরাধ স্বীকার করি৷ হ্যা,ঁতাই৷ মেস খুঁজে বেড়াতে হয়েছে এমন ছাত্র মাত্রই জানেন ঢাকা শহরে " স্টূডেন্ট ' হওয়া বিরাট অপরাধ৷

"…

গল্প ১ - নিমন্ত্রন

নিমন্ত্রণ


ঘটনাটি আমার এক বন্ধুর মুখ থেকে শোনা৷

তাদের গ্রামের নাম নোয়াগাঁও৷ মাঘ মাসের এক কুয়াশাঘেরা রাতে সেই গ্রামের মেঠো পথ ধরে হাঁটছিল সে৷ কুমিল্লা থেকে যাবার আগে সে আমাকে নিমন্ত্রণ করে যায় তাদের গ্রামে যাবার জন্যে৷ অফিসে যথেষ্ট ছুটি পাওনা ছিল আমার৷ তাকে জানিয়ে দিয়েছিলাম, ঠিক এক সপ্তাহ পর তাদের বাড়িতে বেড়াতে যাব আমি৷ সে রাজি হয়েছিল৷

বাজারে গিয়েছিল সে৷ আজই এসে পৌঁছেছে কুমিল্লা থেকে৷ পরিচিত অনেকের সাথেই দেখা হয়েছে৷ কল্যানের চায়ের দোকানের আড্ডায়ও যোগ দিয়েছিল৷ কয়েকজন ওর জন্য আফসোস করেছে- আর কিছুদিন আগে এলেও নাকি "রসের বাইদানী' পালাটি দেখতে পেত৷ এরপর চলেছে তাসের আসর৷ মোটামুটি ভালই কেটেছে সময়৷ অনেক নতুন পুরাতন খবর শুনেছে৷ আসবার সময় কল্যান আবার দু'টি সিগারেটও গছিয়ে দিয়েছে হাতে৷

বাড়ি থেকে বাজার তিন মাইলের পথ৷ ঠিকমত হাঁটতে পারলে এক ঘন্টাও লাগে না৷ কিন্তু শীতের রাতে অনেকক্ষন লেগে যায়৷

হাঁটছে সে৷ গাঁয়ের এ পথটা একটু নির্জন৷ অসময়ের বৃষ্টি হয়েছে এক পশলা৷ এখানে সেখানে পানি জমে আছে৷ এঁটেল মাটির রাস্তা, কাদা হয়ে আছে৷ সেরকমই একটা কাদায় ওর স্যান্ডেল দেবে গেল৷ টেনে উঠাল৷…

আজ কি শুক্রবার ?

পুরোনো লেখাগুলো লিখেছিলাম বাংলাপ্লেইন ফন্টে৷ ওগুলোকে এখন আবার ইউনিকোডে কনভার্ট করতে বেশ ঝামেলা হচ্ছে৷
তবে খুব তাড়াতাড়িই করে ফেলব আশা করি, তারপরে তুলে দিতে পারব এখানে৷

আজ ইউনিভার্সিটিতে এসে এখান থেকে বাংলায় পোস্ট করা যায় কিনা ট্রাই করে দেখ্লাম৷ এখানে কোন ফন্ট ইন্সটল করা যায় না৷ তবে উইন্ডোজের সার্ভিস প্যাক ২ ব্যবহার করে বলে ভ্রিন্দা ফন্টটি আগে থেকেই দেয়া আছ্হ৷ ৷
ইউনিকোডে লিখতে এই একটা কারনেই খুব মজা লাগছ যে যে কোন একটি ইউনিকোড ফন্ট থাকলেই যে কেউ এই লেখা দেখতে পারবে৷
সোলায়মান লিপি নেই বলে একটূ অন্যরকম লাগছে, তবে ভ্রিন্দাও মনে হচ্ছে খারাপ নয়৷ আরো সুন্দর একটা ইউনিকোড ফন্ট কোথায় পাবো বুঝছি না৷
সময় পেলে কি করে বাংলায় ব্লগ করা যায় এই নিয়ে একটা পোষ্ট তুলে দিব ভাবছি৷ নিশ্চয় অন্যরাও উপকার পাবে, মানে যারা আমার মতো বাংলায় চিত্কার করতে চায়!

কবিতা ১ - দুই শিল্পী -

দুই শিল্পী -


কোন এক রূপসী ভোরে ক্যানভাস সামনে
ক্ষেপে ওঠেন এক চিত্রশিল্পী,
সৃষ্টিকর্তার আঁকা ছবি কি
তার চেয়েও সুন্দর?
আত্মম্ভরী জবাব তার -
"হতেই পারে না!'

পাল্লা দিয়েই দেখা যাক্ না!

রং তুলি নিয়ে বসে যান তিনি,
দিন-রাত শুধু এঁকেই চলেন৷
নিজেকে উজাড় করে দেন ক্যানভাসে৷
পাহাড় - নদী - সূর্যাস্ত -
আকাশ - মেঘ - ঝরণাধারা -
সবই আঁকেন৷

কিন্তু
সবুজ গাছ আঁকতে গিয়ে থমকে গেলেন -
সে গাছের ডালে বসে এক মা শালিক
ক্রন্দনরত তার এইটুকুন বাচ্চাদের মুখে
তুলে দিচ্ছে আহার৷
প্রথম সূর্যের মিঠে আলোর পটে,
সে এক অদ্ভূত সুন্দর ছবি৷
-- সৃষ্টিকর্তার আঁকা!

ছবির ক্যানভাস লুটিয়ে পড়ে,
শিল্পী শুধু চেয়েই থাকেন৷

কেমন করে --

বাংলায় ব্লগ করার ইচ্ছে থেকেই এই সাইটটি বানানো৷
বাংলায় সাইট তৈরি করা এখনো খুব একটা সহজ হয় নি৷ যে ফন্টগুলো ওয়েবে পাওয়া যায়, তাদের মধ্যে যেগুলো সুন্দর, সেগুলো ওপেন টাইপ নয়৷ আর ওপেন টাইপ ফন্টগুলো বড় অবস্থায় সুন্দর দেখা গেলেও, ছোট হলে প্রায় পড়াই যায় না৷
তবু সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই সাইটটি ওপেন টাইপ, মানে ইউনিকোড ফন্ট দিয়েই বানাবো৷ কারন শেষমেষ এরাই বেঁচে থাকবে৷ তাইই সোলায়্মান লিপি বেছে নেয়া৷

বাংলা লেখার সফটওয়্যারেও রয়েছে হাজার ঝামেলা৷ খুঁজে পেতে দেখা যাবে ওয়েবে প্রায় শ'খানেকেরও বেশি বাংলা এডিটর আছে৷ একেকজন একেকটাকে ভালো বলে, এবং প্রত্যেকেই যেটাতে অভ্যস্ত, তার কাছে সেটাই ভালো৷
আমি নিজে ব্যবহার করেছি গুরুচন্ডা৯ ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া সফটওয়্যার৷ এটাই সবচে' ভালো, এমন দাবি করবো না, তবে আমার কাছে সবচে' ভালো লাগে৷ তার প্রধান কারন এই এডিটর দিয়ে ইউনিকোডেও বাংলা লেখা যায়৷
সুধীজনেরা 'টেরাই' করে দেখতে পারেন৷

ফন্ট আর এডিটর এর ঝামেলা শেষ হলে পরে আর রইলো ওয়েব হোস্টের জায়গা৷ ভেবেছিলাম আলাদা করে খুঁজে নেব, কিন্তু মনে হলো ঠিক ওয়েব সাইট নয় , মনে হয় ব্ল্গ করাটাই ভালো হবে৷

এভ…