Posts

আসুন, আমরা একটি প্ল্যানচেটের আয়োজন করি...

Image
প্রতিটা পোষ্টে সেই একই নাটকের পুনরাবৃত্তি হয়। কুশীলবও আমরাই। একদল আস্ফালন করেন, প্রমান করা হোক!! আমরা নতজানু হয়ে নিজেদের প্রমান হাজির করি। একগাদা ওয়েবসাইট, কিছু ইতিহাসের দলিল, অনেকগুলো বই, কিছু পেপার কাটিং..। কিন্তু আমরা কি জানি, সেইসব প্রমান যে আসলে ভ্রান্ত? আসলে কিছু উর্বর মস্তিষ্কের মানুষের লেখা থ্রিলার? না জানি না। ভ্রান্ত তো হবেই, ওগুলো তো গোলাম আযম তার স্মৃতিতে লিখে রাখেন নাই। মুক্তিযুদ্ধে নিহতের পরিবার মিথ্যে বলেছেন, এটাই তো সত্য, কারন গোলাম আযম তো মিথ্যে বলেন নাই! এই নাটক এখানেই শেষ হবে। কদিন পর আরেকটি পোষ্ট হবে। সেখানে আবারো বলা হবে প্রমাণ করা হোক! আমরা বাবার রক্তভেজা শার্ট আর মায়ের ছেঁড়া শাড়ি বুকের মধ্যে লুকিয়ে আবারো আমাদের প্রমান নিয়ে হাজির হবো। এইভাবেই, মুক্তিযুদ্ধের পৌন:পুনিক অপমান চলতেই থাকবে, চলতেই থাকবে...। যতদিন না গোলাম আযম তার পবিত্র স্মৃতিকথা নতুন করে লিখবেন! আসুন, তার চেয়ে আমরা বরং একটি প্ল্যানচেটের আয়োজন করি। ওখানে ডেকে আনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, লক্ষ লক্ষ অসহায় মানুষ আর হতভাগা বুদ্ধিজীবিদের। ওদের আত্মা এসে আমাদের হাত ধরে বলুক, বাবারা, এইবারটি থামো, আর কত অপমান করবে ...

ভাললাগায় লোপামুদ্রা ...

Image
লোপামুদ্রার গলায় আমার শোনা প্রথম গান বেনীমাধব। এইচএসসি-র পরে তখনো ঢাকায় নতুন। ঢাকা যে আসলে ঠিক বাংলাদেশের ভেতরের কোন শহর নয়, সেটা বুঝে গেছি ততদিনে। সব কিছুতেই যেন যোজন যোজন ফারাক আমাদের ছোট্ট মফস্বল শহর কুমিল্লার সাথে। সেই বোধটা আরেকটু দৃঢ় করতে সে বছর গুলশানে আমাদের এক বন্ধুর বাসায় গেলাম থার্টিফার্স্ট নাইটের মজা নিতে। আমরা প্রায় ১০/১২ জন। বিকেলের দিকেই পৌঁছে গেছি ওর গুলশান-২ নম্বরের বাসায়। কিন্তু রাত হতেই বন্ধুর মা নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন, বেরুনো যাবে না। কোথা থেকে খবর পেয়েছেন, রাস্তায় পুলিশ আছে, ১২ টায় কেউ বের হলেই ধরে নিয়ে যাবে। আমাদের অনেক কাকুতি মিনতিও গলাতে পারলো না তাঁকে। কি আর করা, এক ডজন টগবগে নওজোয়ান আমরা তখন ওর রুমে বসে আড্ডা দিতে লাগলাম। কবিতা থেকে ক্রিকেট আর মোনালিসা থেকে পামেলা কেউই বাদ নেই। আড্ডার ফাকে মাঝে কার যেন একবার টয়লেট চেপেছিল। সে বাইরে গিয়ে ফিরে এসে ফিকফিক করে হাসতে লাগলো। কি হলো কি হলো? না, আন্টি খুব আজিব কিসিমের গান শুনছেন পাশের রুমে বসে, খালি নাকি শোনা যাচ্ছে- তোমার বাড়ি যাব, তোমার বাড়ি যাব...। এধরনের আড্ডার কোন আগামাথা থাকে না। চরম সিরিয়াস ব্যাপারও হয়ে যায় নিছক...

মামা বাড়ির আবদার

Image
মামাবাড়ির আব্দার- ---------------- আরে ভাই, ৩৫ বছর পরে ঐসব চেচামেচি করার কি দরকার? সব ভুলে যান। নিজেদের ঐক্য নষ্ট করবেন না। আসেন, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ি। আমার কথা- ---------- বন্ধুদের মধ্যে একটা রসিকতা প্রচলিত আছে- " কলা ছিলছো কেন, আবার বুজাইয়া দাও''! আব্দারের চরমসীমা বুঝাতে আমরা এই বাক্য ব্যবহার করি। বন্ধুদের কাছ থেকে অনেক দূরে আছি। আড্ডাও হয় না- কিন্তু এই আব্দারের কথা মনে পড়ল আবার। মামাবাড়ির আব্দার! ৩৫ বছর কি অনেক লম্বা সময়, ৩০ লক্ষ মানুষের রক্ত ধুয়ে মুছে ফেলবার জন্যে? কেন আমাদের ইতিহাসকে ভুলে যেতে হবে? কেনই বা আমাদের ভুলে যেতে বলা হবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জনের কথা? না, আমরা ভুলবোনা। ভুলতে চাইবে তারাই যাদের জন্যে মুক্তিযুদ্ধ মানে লজ্জা, মানে পরাজয়, মানে নিজেদের নীচতা আর বিশ্বাসঘাতকতার জ্বলজ্বলে দলিল। ভুলে যেতে চাইবে রাজাকাররা, আমরা না। কি করেনি তারা? একটা দেশের জন্মলগ্নে যতভাবে সম্ভব তার বিরোধীতা করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিয়েছে পাকসেনাদের হাতে, নিজেরা অস্ত্র তুলে নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের বিপক্ষে, হাজার হাজার নারীদের ঠেলে দিয়েছে পাকসেনাদের বিকৃত লালসার সামনে!! যখন ...

ভাষাই ধর্ম ভাষাই দেশঃ আরেক ফাল্গুনের গল্প।

Image
কমলা ভট্টাচার্য্য। মাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়া এক কিশোরী। এখনো রেজাল্ট বের হয় নি, তার আগেই ইতিহাসের পাতায় নাম। সম্ভবতঃ ইতিহাসের প্রথম নারী ভাষা শহীদ। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের বোন এই কমলা। ১৯৬১ সালের ২১ মে। আসামের ছোট্ট শহর শিলচর। রাজ্যের প্রধান ভাষা অসমীয়া হলেও বরাক ভ্যালির এই অঞ্চলে বাংলা ভাষাভাষীদেরই আধিক্য। পাকিস্তান হবার এক বছর পর ১৯৪৮ সালে রেভারেন্ডেমের মাধ্যমে সুরমা ভ্যালি (বর্তমানে সিলেট বিভাগ ) পুর্বপাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু বৃহত্তর সিলেটের তিন-চতুর্থাংশ নিয়ে বরাক ভ্যালি থেকে যায় আসামে। ১৯৬১ সালে আসাম প্রাদেশিক সরকার শুধু অসমীয়াকেই রাজ্যের একমাত্র সরকারী ভাষা ঘোষনা দিলে ক্ষোভ দানা বাঁধে বাংগালিদের ভেতরে। ক্রমশঃ রুপ নেয় তা আন্দোলনে। প্রথমে সত্যাগ্রহ। তারপর সহিংস। আন্দোলনের চুড়ান্ত পর্বে , ১৯ মে, পুলিশ গুলি চালায় মিছিলে। শহীদ হন কমলা ভট্টাচার্য্য সহ মোট ১১ জন। রাজ্য সরকার শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য হয়। দেয়াল গড়ে ওঠে মানচিত্র বদলে যায়। তবু রফিক জব্বার কমলার মত ভাইবোনেরা আমাদের মাথা নত না করতে শেখায়। আভুমি আনত - শ্রদ্ধা একুশে-ঊনিশের সকল ভাষা শহীদদের জন্য। ...

আমার প্রতিবাদ

Image
এক খাবলা মাটি হাতে লইয়া নিজের গায়ে মাখ- মাটিতে লাগাইয়া নাক; ঘ্রান নে রে ব্যাটা নিশ্বাস ভইরা নে, মায়ের দুধের গন্ধ পাবি সেখানে। এই সবুজ জমিনে একবার- তোর বাপের লাংগলের লগে গড়াগড়ি দে, এই নদীতে তিনখান ডুব লাগা, শুশুকেরা যেমন কইরা ডুবে। এই যে ক্ষেতের আইল, তার মইধ্যে দিয়া দৌড় লাগা একখান। আসমানে উড়তাছে ভো-কাট্টা ঘুড়ি, হ দেখি তার সমানে সমান! তারপর, মাথাখান উঁচা কইরা আসমানের দিকে তাকা দেহি একবার। কি দ্যাখা যায়? চাঁন-তারা?? আরে বেকুব, সর্বহারা- সিনা টান কইরা দ্যাখ, চক্ষু দুইটা খুইলা দ্যাখ- সুর্য দেখবি খালি, টকটইক্যা লাল সূর্য ! আসমান আর জমিন একাকার কইরা- লালে আর সবুজে মাখামাখি... আমার মায়ের আঁচলের লাহান- আঁচলের মতন পতাকার লাহান। ৭।০৬।২০০৬ ---------- এই কবিতার একটা প্রেক্ষাপট আছে। ( অবশ্য সব কবিতারই একটা প্রেক্ষাপট থাকে।) সামহোয়্যার ইন ব্লগে কোনো এক পাকিস্তান প্রেমিক হুট করে পাকিস্তানের পতাকা সহ কিছু পোষ্ট দেয়া শুরু করে। ভীষন অশ্লীল মনে হয়েছিল আমার সেটা। তারই প্রতিবাদে লেখা এই কবিতা। এটা একদম র'- কপি। পরে কখন সুযোগ পেলে এডিট করব হয়তো, বা হয়তো করবো না।

করি বাংলায় চিৎকার

Image
করি বাংলায় চি ৎ কার ...... অতঃপর বছর গড়িয়ে যায় । গড়াতেই থাকে বছরের পর বছর । শহীদের রক্তে ভেজা জায়গা ধুয়ে-মুছে আমরা সেখানে মিনার বানাই । হৃদপিন্ডের মধ্য থেকে ভালবাসার লাল সুর্যটাকে খুলে এনে শক্ত নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে দেই মিনারের গায়ে । প্রতিবছর- ফুলে ফুলে সাজাই তাকে । মধ্যরাতে খালি পায়ে এসে গান গেয়ে যাই । কি সুমধুর সেই গান- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি - । গাইতে গাইতে গলা বেয়ে অশ্রু ঝরে পরে । আহা, সেই অশ্রু যদি মাখিয়ে দিতে পারতাম ভাইয়েদের বুলেট-বিদ্ধ বুকের ক্ষতে! একুশের সংকলনের পাতা উল্টাই আজ । অজস্র শ্রদ্ধাঞ্জলি সেখানে মুখের ভাষা ফিরিয়ে দেয়া সেই বীর শহীদদের জন্যে । দেখে-পড়ে-শুনে ভাল লাগে । ভাল লাগা বাড়িয়ে যাই আমি । পাতা উল্টে চোখে পড়ে - একুশের গল্প । জহির রায়হানের । কোন এক হবু ডাক্তার একুশের মিছিলে তার বন্ধুকে হারায় পুলিশের গুলিতে । কপালের ঠিক মাঝখানটায় গুলি লাগে বন্ধুর । লাশ তুলে নিয়ে যায় সেনাবাহিনির লোকেরা । প্রায় বছর তিনেক বাদে তারই রুমমেট এনাটমি পড়ার জন্যে কঙ্কাল নিয়ে আসে । বাক্স খুলে সবাই দেখে প্রয়াত বন্ধুর মতন এর কপালেও একটা মসৃন ফুটো, ডান প...

কঙ্কাবতী-

Image
আমায় এমন পাগল করে , আকাশ থেকে মধ্যরাতে নামলে কেন ? নামলে যদি মধ্যরাতেই , চোখের দেখা না ফুরোতেই - থামলে কেন ? নামতে তোমায় কে বলেছে - মেঘে মেঘে মেঘ গলেছে , অন্ধকারে ......। ------ নির্মলেন্দু গুন ( মধ্যরাতের ক্ষনস্থায়ী বৃষ্টির প্রতি ) । ... কনকনে ঠান্ডা এখানে , মেলবোর্নে ৷ আর, ঢাকায় নাকি তুমুল বৃষ্টি এখন ৷ হাইটেকের কল্যানে sms এ ভর করে সেই বৃষ্টির ছাঁট আমার মোবাইলে এসে পড়ে ৷ চিঠি এসেছে , বাড়ানো হাতে হাত রেখে বৃষ্টিতে ভেজার আহবান ৷ হায় বরষা , তোমাতে আমাতে এখন সাত সমুদ্র তের নদীর ফারাক ! মেঘেদের কাছে অনুযোগ করে বার্তা পাঠায় কেবল অভিমানী কঙ্কাবতী , কিন্তু হায় , আমি যে ডালিমকুমার নই !! কনকনে ঠান্ডা এখানে , তবু ও , বৃষ্টি ঝরে যায় ঢাকায় , মোবাইলের ঝাপসা স্ক্রীনে , আর আমার কঙ্কাবতীর মনে ৷

মানুষ হিশেবে আমার অপরাধসমূহ

Image
১৷ বইয়ের প্রচ্ছদে হিশেব- বানান এভাবেই দেয়া আছে৷ লেখকের নাম যখন হুমায়ুন আজাদ, এ বানান তখন আর অবাক করেনা আমাকে৷ হুমায়ুন আহমেদ আর হুমায়ুন আজাদ দু'জন ভিন্ন মানুষ৷ প্রথমবার নাম শুনে অনেকেই দু'জনকে গুলিয়ে ফেলেন, সে জন্যেই এটা বললাম৷ আমার পড়া হুমায়ুন আজাদের প্রথম বই - "সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে'৷ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে লেখা বই৷ সব রকম সম্পর্ক৷ বাবা-মা'র সাথে, ভাই বা বোনের সাথে, স্বামী-স্ত্রী বা পুত্র-কন্যাদের সাথে৷ সে বইয়ের মূল চরিত্র ছিলেন একজন প্রকৌশলী, যিনি সড়ক বানান, আর ব্রীজ৷ মানে সেতু৷ ব্রীজ বানাতে বানাতে একসময় মানুষের সম্পর্কগুলোকেও তিনি ব্রীজ বলে ভাবা শুরু করেন৷ একসময় দেখা যায়, এ সম্পর্কগুলো তার বানানো ব্রীজগুলোর মতই কী অসহায়ভাবে ভেঙ্গে পড়ছে! বই পড়ে যে কখোনো যন্ত্রনা পাওয়া যায়, হুমায়ুন আজাদের বই পড়ার আগে আমার এই ধারনাই ছিলো না৷ অসম্ভব যন্ত্রনা দেয় তাঁর বই,অথবা বলা ভাল- পীড়া দেয়৷ নিজেকে নিজের মুখোমুখি দাঁড় করায়৷ চারপাশের সোজা সরল জগতের ধারনা এক লহমায় উড়িয়ে দিয়ে তিনি যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখান, কেমন করে আমাদের চারপাশের সব কিছু ভেঙ্গে ...

আমি ও কনফুসিয়াস -

Image
কনফুসিয়াস বলিয়াছিলেন, "মানুষ তাঁর স্বপ্নের সমান বড়। " এই বাক্যখানি যে অন্তরে গভীরভাবে বিশ্বাস করিবে, তাহার পক্ষে সময়ের অপচয় অমার্জনীয় অপরাধ, স্বপ্নের সমান বড় বলিলেই তাহা হওয়া যায় না। বড় হইবার জন্যে প্রয়োজন সাধনা ও পরিশ্রমের। হে বত্‌স্য, মনে রাইখো, পৃথিবীতে সময়ই একমাত্র বস্তু যাহা চলিয়া গেলে আর তাহাকে ফিরাইয়া আনা যায় না। প্রতিটা মুহুর্তেই মরণ ঘটে সময়ের আবার সেই মূহুর্তেই জন্মলাভ করে নতুন আরেকখানি সময়। পূর্বেরখানা চিরদিনের জন্য গত হইয়া যায়। হে বত্‌স্য; হেলায় কাটানো প্রতিখানি সময়ের মৃত্যুর সঙ্গে, মনে রাইখো, মৃত্যু ঘটিতেছে তোমার স্বপ্নেরও। তাই, তোমার স্বপ্নের কথা স্মরণ কর- অলীক মরীচিকায় পরিণত হইবার আগেই তাহাকে রক্ষা কর। এবং তাহার জন্যে প্রয়োজনীয় অধ্যবসায়ে মনোযোগী হও। ****************** এটা লিখেছিলাম ক্লাশ নাইনে পড়বার সময়। কনফুসিয়াসের কথাটা আমার ভীষন পছন্দের। সেই ভাল লাগাটা এভাবেই প্রকাশ পেয়েছিল। অবশ্য লেখাটা পড়ে এখন নিজেই দীর্ঘশ্বাস ফেলি, কি তেলই না ছিল বাপ!

পূর্ণ সাধ আর অপূর্ণ ইচ্ছা -

Image
পাখি হইতে চাই নাই কখনো৷ এমনকি সুপারম্যানও না৷ তবে ডেভিড কপারফিল্ডের একটা জাদু দেখেছিলাম৷ মঞ্চ থেকে বেরিয়ে দর্শকদের মাথার উপর দিয়ে খানিকক্ষন উড়ে বেড়িয়েছিলেন৷ এইটা দেখে ... , না না, জাদুকর না, উড়তে সাধ হয়েছিলো ভীষন৷ একদম- মানুষের মতন- উড়তে- -৷ ছোট্ট থাকতে একটা পাহাড়ের কথা কল্পনা করতাম৷ অনেক উঁচু! সেইটার উপরে থাকবে একটা ঘর৷ প্রত্যেকদিন সকালে সেই ঘর থেকে বের হইলে - সক্কালবেলার সূর্য দেখতে পারতাম যেন, আর ... মেঘ৷ মাথার চারপাশে- শরীরের চারপাশে খালি মেঘ৷ হাত বাড়াইলেই যেন ছুঁইতে পারি মেঘেদের - এরম করে- অথবা মেঘেরা হাত বাড়াইলে যেন ছুঁতে পারে আমাকে! একটাও পূরণ হয় নাই৷ এরোপ্লেনের পেটের মধ্যে বসে উড়েছি, আর জানালা দিয়া দেখেছি সূর্য আর মেঘ ... ৷ আমাদের মধ্যে কোন ছোঁয়াছুঁয়ি হয় নাই৷ :-(( অনেক সাধ আছিলো- বড় হয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত লিখব৷ কিন্তু তা-ই বা হইলো কই?