পোস্টগুলি

2012 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বইদ্বীপ প্রকাশনীর সাইট-

ছবি
বাংলা ইবই নিয়ে আলাদা একটা সাইট তৈরি করলাম। ঠিকানা এখানে- বইদ্বীপ প্রকাশনী। 
মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলায় ইবই প্রকাশনা সম্পর্কিত সুবিধা, অসুবিধা, জটিলতা ইত্যাদি বিষয়ে মতবিনিময় করা। কেউ ইবই প্রকাশ করতে চাইলে নিজেরাই নিজেদের সহযোগিতা করা যাবে এই ব্লগের মাধ্যমে।
বাংলায় প্রকাশিত ইবইগুলোর একটা তালিকামতন রাখাও আরেকটা উদ্দেশ্য। যদিও মনে করি, কদিন বাদে বাংলা ইবই-এর জোয়ারে তালিকা রাখা আর সম্ভবপর হবে না। :)
ইবই নিয়ে নিজেদের চিন্তা-ভাবনা, প্রশ্ন ইত্যাদি শেয়ারের জন্যে চলে আসুন বইদ্বীপ প্রকাশনীর  সাইটে

ইলিয়াসের ঘোড়া: আমার নতুন বই

ছবি
বেশ কিছুদিন ধরেই সময় দিচ্ছিলাম এটার পেছনে। অবশেষে আজকে জিনিসটা ফাইনাল হলো। আমার নতুন বইটা প্রকাশিত হলো স্ম্যাশওয়ার্ডস থেকে। এটি পুরোপুরিই ইবুক। আপাতত প্রিন্টেড ভার্সানে যাবার কোন পরিকল্পনা নেই।
বইটি বিনামূল্যে নামানো যাবে নিচের লিংক থেকে।  ইলিয়াসের ঘোড়া- তারেক নূরুল হাসান বইটি যারা পড়বেন, তাদের মতামত জানবার জন্যে অপেক্ষায় রইলাম। 

সহী দিননামা

ছবি
৭১
একাত্তর নামে নতুন একটা চ্যানেল হয়েছে দেখছি।
এখানে বাংলা টিভি দেখা বেশ হ্যাপার কাজ। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের নানা প্যাকেজ নিতাম একসময়, কিছু বিজ্ঞাপন আর স্প্যাম ভরা ফ্রি সাইট দিয়েও কাজ চলেছে একদা, আপাতত সব ঘুরে টুরে আইপিটিভি বাক্সে থিতু হয়েছি। বেশ ভালই সার্ভিস দিচ্ছে। যদিও সবগুলো বাংলা চ্যানেল আসে না। অনেকগুলো ভালো চ্যানেলই নেই, সময়, ইন্ডিপেন্ডেন্ট নেই, মাছরাঙাও নেই। কিন্তু একাত্তর কেমন করে যেন চলে এলো। এবং আসার পর থেকেই, ক্রিকেটের জন্যে যদি চ্যানেল নাইন খুলে বসে না থাকি, তাহলে যে চ্যানেলটা এখন বেশি দেখা হয়, তার নাম একাত্তর।

দেশের প্রথম ফুল হেইচডি চ্যানেল বলে দাবি করছে প্রায়শই, ছবির মানও আসলেই চমৎকার। ওদের দুটা ডকুমেন্টারি দেখলাম, দুটোই বেশ ভাল লেগেছে। ঘুরে ফিরে যদিও দেখাচ্ছে বারেবারেই। অনুষ্ঠান নির্মাণেও খানিকটা ভিন্নতা চোখে পড়ছে। হঠাৎ করে সেই একুশের সামিয়া জামান আর সামিয়া রহমানকে একসাথে আবার দেখতে পেয়েও ভাল লাগছে বেশ।

আমার শুধু একটা ব্যাপারেই খটকা, নামটা নিয়ে। একুশ চলে, বায়ান্নও, হয়তা বিজয় বা স্বাধীনতা-র মত শব্দগুলোও বহুব্যবহারে জৌলুশ হারিয়ে সর্বসাধারণের পকেটের রুমাল হয়…

:-(

ছবি

ইদানিং বেশ কিছু নতুন বই পড়ছি

ছবি
ইদানিং
---------


বছর-খানিক ধরেই খুঁজে পাচ্ছিলাম না ব্যাটাকে। অথচ খুঁজছিলাম, অনেকদিন ধরেই। আমার বুকশেলফের আড়ালে, বালিশের পাশে জমে থাকা অলস অন্ধকারে, অথবা কাজ শেষে বাড়ি ফিরে জমাটি করে বসে থাকা সোফার আরামে। কিন্তু বাস্তবিক প্রায় হারিয়েই ফেলেছিলাম তার খোঁজ। শেষমেষ একটা ষড়যন্ত্র করতে হলো। নিজের সাথে নিজেই চোখ রাঙাতে হলো। একদিন সকালে উঠে আয়নায় নিজেকে জোরসে ধমক লাগালাম, চোপ রাও বদমাশ, যা বলি তা-ই করো।

তো, করলাম। চুপচাপ। বাধ্য মানুষটির মতো ফেইসবুকের ডিএকটিভেট বাটন চেপে দিলাম। জুকারবার্গের নীল দৈত্য কঁকিয়ে উঠলো, কেন কেন?
বললাম, না হে, এটা সাময়িক বিচ্ছেদই কেবল, পাকাপাকি ছাড়াছাড়ি নয়, আবার আসিব ফিরে, সহসাই।

তারপর বুকশেলফের বইগুলোকে ওলট পালট করে ঝাড়াঝাড়ি করে নিলাম। একটা করে বই জায়গা করে নিলো আমার সবকটা চারণভূমিতে। গাড়িতে একটা, সোফার পাশে একটা, একটা ডাইনিং টেবিলে, বিছানায় বালিশের পাশে একটা, আঁকাআঁকির টেবিলে একটা।
ড্রপবক্সের একাউন্ট থেকেও ঝেড়ে মুছে বিদায় জানিয়ে দিলাম সব কটা অনাবশ্যক ফাইলকে। তার বদলে সেটা ভর্তি হয়ে গেলো হাজার-খানেক ই-বুকে।

এবং, তারপরে, সহসাই খুঁজে পেলাম তাকে। আমার …

বাংলা ইবুক

ছবি
বাংলা ইবুক নিয়ে নানারকম পরীক্ষা নিরিক্ষা চালিয়েই যাচ্ছি। হাতে অবশ্য গিনিপিগ আছে একটাই, আমার সবেধন নীলমণি কাঠের সেনাপতি
ইবুকের বাজারে বাংলা বই একসময় সদর্পে ঘুরে বেড়াবে, এরকমটাই প্রত্যাশা করি। এখনকার ইন্টারনেট আর টেকি যুগে ব্যাপারটা খুবই সহজ। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি পরবর্তীতে কখনও বই বের করলে প্রিন্টেড এডিশানের সাথে সাথে ইবুক এডিশানেও বই প্রকাশ করবো। 
আমি যেটা করেছি, সেটা একটু লিখে রাখি, উৎসাহী কারো কাজে লাগবে আশা করি।
প্রথমেই স্ম্যাশওয়ার্ডস ডট কমে একটা একাউন্ট করে নিয়েছি। এটা ফ্রি। ওদের ওখান থেকে বই বিক্রি করলে কিছু কমিশন কেটে রাখে ওরা, এমনই সহজ শর্তে একাউন্ট খুলে ফেলা যায়। আমার কাছে খুবই ব্যবহার-বান্ধব লেগেছে সাইটটি। আরেকটা কারণ হলো, বইটা যদি ওদের প্রিমিয়াম ক্যাটালগে অন্তর্ভুক্ত হবার জন্যে কোয়ালিফাই করে তাহলে সেটা শুধু ওদের সাইটেই নয়, একই সাথে কিন্ডল, আইবুক বা ন্যুক এর স্টোরেও ওরা বইটা বিক্রির জন্যে পাঠিয়ে দেয়। কোয়ালিফাই করাটা অবশ্য কষ্টসাধ্য কিছু নয়, ওদের বলে দেয়া নিয়মগুলো মেনে বই প্রকাশ করলেই সাধারণত হয়ে যায়।
একাউন্ট খোলার পরে মূল বইটাকে এমএসওয়ার্ডের ডক ফাইলে কিছু…

পরশু রাতে, ন্যান্ডোজে

ছবি
:-)

হই হই!

ছবি
বই পেলাম হাতে আজই। ব্যাপক আনন্দ লাগছে।

অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়-এর লেখা আগে পড়িনি খুব একটা। শুনেছিলাম ঈশ্বরের বাগানের কথা। অলৌকিক জলযান কি ওনারই? সম্ভবত।
আপাতত ওনার ছোটগল্প পড়া শুরু করলাম, পড়তে অদ্ভুত ভাল লাগছে।

ইদানিং যা করি -

ছবি
:-)

কাঠের সেনাপতি'র ই-বুক ভার্সান

ছবি
সুখবর! 'কাঠের সেনাপতি' বইটির ইবুক ভার্সানও এখন কিনতে পাওয়া যাচ্ছে।
তিন ফর্ম্যাটে বইটি পাওয়া যাচ্ছে- ইপাব, মোবি ও পিডিএফ।
যেসব ডিভাইসে বইটি টেস্ট করা হয়েছেঃ
১/ আইপ্যাড - আইবুক, কিন্ডল রিডার এপ।
২/ পিসি- উইন্ডোজ সেভেন- এডাবি, ফক্সিট ও কিন্ডল রিডার।
৩/ এন্ড্রয়েড ফোন (স্যামসাং গ্যালাক্সি এস টু, এস থ্রি)- এডাবি, কিন্ডল রিডার, পোলারিস অফিস।
৪/ আইফোন ৪- কিন্ডল রিডার এপ।

বইটির ই-ভার্সানের মূল্য রাখা হচ্ছে USD$ 1.99
পে-পাল বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা যাবে।
বইটি কিনতে হলে ক্লিক করতে হবে এখানে-
অথবা নিচের লিংকে-
স্ম্যাশওয়ার্ডস ডট কম
এছাড়াও, আগের মতই, বইটির হার্ড-কপি পাওয়া যাচ্ছে নিচের দুটি ওয়েবসাইটে-
১/ রকমারি ডট কম
২/ বইমেলা ডট কম

বইটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে ক্লিক করুন এখানে- কাঠের সেনাপতিঃ আমার প্রথম বই।







এক বি-রা-ট সুসংবাদ :D

ছোটবেলায় সিনেমায় দেখেছিলাম নায়ক জসিম দৌড়ে দৌড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বলছে, মা, মা, দেখো,আমি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছি!
জীবনের প্রায় মাঝবরাবর এসে, আমি একসময়ের রবিউল থেকে শরীর-স্বাস্থ্যে মাশাল্লাহ জসিমে এসে দাঁড়িয়েছি। এই ‘সুবিশাল’ প্রাপ্তি উদযাপনেরই সম্ভবত একটা সুযোগ করে দিলো রকমারি ডট কম। তাদের কল্যাণে আমি জসিমের মতই আপ্রাণ দৌড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বলতে পারছি, জনগণ দেখো দেখো, আমি সেকেন্ড হয়েছি। :D
অনেক ভূমিকা হলো, এবারে তাহলে আসল ব্যাপার বলেই ফেলি। ঘটনা হলো এই যে রকমারি ডট কমের আয়োজিত রিভিউ প্রতিযোগে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম, একটু আগেই তাঁরা ইমেইল মারফত জানালো যে আমার করা রিভিউগুলো তাঁদের বিবেচনায় দুই নম্বুরি প্রতীয়মান হয়েছে। থুক্কু, আই মিন, প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অর্জন করেছে। এই শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে আমার মুখের হা বড় হতে হতে কপাটি লেগে গেছে!
রকমারি ডট কম সম্পর্কে একটুখানি বলি, ওয়েবসাইটটি খুব সম্প্রতিই আত্মপ্রকাশ করেছে। এবং এই রকমারির রকম-সকম দেখে আমি মোটামুটি বিমোহিত। বাংলাদেশের ভেতরে এরা ঘরে বসে বই পাবার চমৎকার সুযোগ করে দিচ্ছে। ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইনে পে করা…

প্রবাসে নববর্ষ ১৪১৯

আই হেইট ভেজিটেবলস,
লাল শাক, পুঁই শাক, বৈশাখ;
সবই ধুর, ইশ, বিস্বাদ!
তবু, থাক,
যারা ভালো পান, তাদের জন্যে গাই এ গান,
যা, যা তবে, দূর দেশে গিয়ে মর, হে বৈশাখ।

টোনা-টুনির ব্লগ

ছবি

মেহেদী হক এর বই - কার্টুন আঁকিবার ক, খ, গ এবং ক্ষ

ছবি
দেশে যাবার আগে আগে মেহেদী হক-কে জানালাম, দেশে আসছি, আপনার প্রকাশিত ‘কার্টুন আঁকিবার ক, খ, গ এবং ক্ষ’ বইটি সংগ্রহ করতে চাই। উপায় কী? তিনি জানালেন আপাতত কোন দোকানে পাওয়া যাচ্ছে না। কাঠপেন্সিল মানে প্রকাশক, উন্মাদ পত্রিকার অফিসে অথবা খোদ লেখকের কাছ থেকেই সেটা সংগ্রহ করতে হবে। আমি বললাম, তা-ই সই। লেখা শেষ হবার আগেই ফুটনোট হিসেবে আমি এখানেই জানাতে চাই, মেহেদী হক-এর এ বইটি আমার জানামতে, বাংলাদেশের প্রথম কার্টুন আঁকা শেখার বই।

মেহেদী হক হচ্ছেন আমাদের এই প্রজন্মের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল কার্টুনিস্টদের একজন। নিয়মিত আঁকছেন সাপ্তাহিক বুধবার, নিউ এইজ এবং কার্টুন পত্রিকা উন্মাদে। যদিও একাডেমিক যোগ্যতায় তিনি নগর ও অঞ্চল বিষয়ক প্রকৌশলী, কিন্তু আসলে তিনি একজন পুরোদস্তুর আঁকিয়ে।

কার্টুন বলতে ছোটবেলায় টিভিতে প্রচারিত এনিমেশানগুলোকেই বুঝতাম। সেসময় পড়া কমিকসগুলোও ছিলো আমাদের কাছে কার্টুন বই। আরেকটু বড় হলে, র’নবী-র টোকাই দিয়ে পরিচিত হয়েছি সত্যিকারের কার্টুনের সাথে। তারপরে কার্টুন দুনিয়ার একক কান্ডারী ছিল উন্মাদ পত্রিকা। আর এই মুহুর্তেতো বাংলাদেশে কার্টুনের বেশ জয়জয়কার। জাতীয় পত্রিকার সাপ্…

এন্ড্রয়েড অথবা স্যামসাং গ্যালাক্সী এস২-তে বাংলা লেখার হাতুড়ে পদ্ধতি-

মোবাইলে বাংলা পড়ার জন্যে অপেরা মিনি-র কোন তুলনা নাই। কিন্তু বাংলা লেখার জন্যে ভাল কোন সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি। আমি একটা জোড়াতালি-মার্কা উপায় বের করেছি, যেটা দিয়ে কোন মতে কাজ চলে। লেখা যায় ঠিকঠাক, পড়াও যায়, শুধু যুক্তাক্ষরগুলোতে একটু সমস্যা করে। এ জন্যেই এই পদ্ধতির নাম হাতুড়ে পদ্ধতি। :)
এই পদ্ধতির দুটা ধাপ-

১/ প্রথমে ফন্ট ইন্সটল। রুট করে ফন্ট ইন্সটলের একটা উপায় আছে, কিন্তু সেটা বেশ খানিকটা ভীতিকর, আমি তাই সে পথে পা মাড়াইনি। রুট করা ছাড়াই ফন্ট ইন্সটলের একটা সহজ উপায় আছে এখানে- http://www.halalit.net/blog/archives/bangla-font-android

২/ ফন্ট ইন্সটল হয়ে গেলে এবার কী-বোর্ড। এটা সহজ। এন্ড্রয়েড মার্কেটে ‘Mayabi Keyboard’ লিখে সার্চ করলেই এপস্‌ চলে আসবে। ওটা ইন্সটল করে নিলেই হবে। 
তারপর আর কী, হ্যাপি বাংলা টাইপিং! :)