পোস্টগুলি

2010 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দ্য ম্যান, উইদ আ মিস-স্পেলড নেইম। :)

ছবি

মেমেন্টো অথবা গাজিনি... :)

ছবি

আলকাতরা এবং প্রাডো

ছবি
মাগনা পেলে বাঙালী নাকি আলকাতরা-ও খায়।
তো এই বাঙালী সকলের মহামান্য প্রতিনিধি যারা, তাহারা প্রাডো কিংবা ল্যান্ড ক্রুজারও খাইবেন, ইহাতে আর নতুন কী?

নাচ আমার ময়না, তুই পয়সা পাবি রে... :)

ছবি
.... নাচ আমার ময়না, তুই পয়সা পাবি রে...

পুলিশের দশ দিন, আর...

ছবি
... রিপোর্টারের এক দিন?


হাওয়াই মিঠাই ১৬: বাংলা লাইব্রেরী

ছবি
একদম নীচের তাক থেকে বনফুলের রচনাসমগ্রের সবগুলো বই একেবারে লাস্যময়ী তরুণীর মত হাতছানি দিয়ে ডাকছে আমাকে। আমি বেশ দ্বিধায় পড়লাম। একসাথে সব কটাকে পাওয়া বেশ দুষ্কর, দেখা যায়, কোনটা না কোনটা আগেই কেউ ইস্যু করে নিয়ে যায়, আমি অন্য কোন একটা নিয়ে যাই ঠিকই, কিন্তু বনফুল একবারে সব পড়ে ফেলবো, বহুদিনের এরকম একটা ইচ্ছেকে কোনভাবেই পূরণ করা হচ্ছে না।  এবারে একদম মোক্ষম সুযোগ চলে এসেছে যাকে বলে, কিন্তু এবারে আসার সময় অন্য লেখকের চিন্তা মাথায় ছিলো, বনফুল নিয়ে যাবো সেরকমটা ভাবিনি। তাই, সে তরুণীদের ডাক উপেক্ষা করবো বলেই ঠিক করলাম।
মাউন্ট ওয়েভারলির এই বাংলা লাইব্রেরির খোঁজ আমাকে দিয়েছিলেন সুচেতাদি। প্রায় বছর পাঁচেক আগের কথা সেটা। দেশ ছেড়েছি তারও বছর ঘুরে গিয়েছিলো তখন, সাথে করে নিয়ে আসা আমার কাছে বই মোটে তিনটে। জীবন বাবুর কবিতাসমগ্র, সত্যজিতের গল্প ১০১ আর শীর্ষেন্দুর পারাপার। তিনটা বইই আমার প্রায় মুখস্থ হয়ে যাবার জোগাড়, বাংলা হরফ চেখে দেখার জন্যে অনলাইনে ঘুরে বেড়াই পাগলের মতন, সেই প্রবল জরুরি সময়ে এই লাইব্রেরিতে এসে আমি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছিলাম!  অন্য অনেকগুলো ভাষার সাথে বাংলার…

হাওয়াই মিঠাই ১৫: অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচন

ছবি
কদিন আগে এখানে একটা মজা হলো। রাতে ঘুমুতে যাবার সময় জানতাম এখানকার প্রধানমন্ত্রীর নাম কেভিন রাড, সকালে উঠে শুনি, রাড নয়, এক রাতেই প্রধানমন্ত্রী পালটে গেছে, এখন প্রধানমন্ত্রী হলেন জুলিয়া গিলার্ড।
ব্যাপারটা হুট করে হজম হলো না যদিও, অনেকটা আমাদের উপমহাদেশীয় অঞ্চলের ক্যু-এর মত অবস্থা।
জুলিয়া গিলার্ড দু দিনের মাথাতেই ব্যাপক আলোচনায় চলে আসলেন। ভদ্রমহিলা, তার সময়ে, ব্যাপক সুন্দরী ছিলেন। গত বছর কোন একটা অনলাইন পোলে, অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আবেদনময়ী (হলো না বোধহয়, ওয়ান আপ অন কজ সি-র সঠিক বাংলা কী হবে? ) রাজনীতিক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
পত্রিকায় ছবি টবি দেখে কথাটা নির্বিবাদে মেনে নিলাম।
তারওপরে, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার সময়ে আরও তুলকালাম, সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী নন, তাই ঐ বায়বীয় ভদ্রলোকের নামে শপথও নিতে পারবেন না।
এখানকার লোকে কেউ কেউ খুশী হলো, কেউ ভুরু কুঁচকে তাকালো, আমি ব্যাপক আমোদ পেলাম।
জুলিয়া এসেই অনিল কাপুর স্টাইলে, মানে, নায়ক সিনেমায় একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়া অনিল কাপুরের কথা বলছি, জুলিয়া ঠিক তার মতই ধুমধাম সব সমস্যা ঠিক করতে উঠে পড়ে লেগে গেলেন। প্রথমে খনি শ্রমিকদের…

পিটুনী দেয়া নিষেধ!

ছবি
অনেক ভেবে চিন্তে দেখলাম, স্যারের হাতে পিটুনী খেতে না হলে সবচেয়ে খুশি আসলে হবে নন্টে আর ফন্টেই!

বইমেলা...

ছবি
রঙ করা এখনো শিখতে পারি নাই, সময়ের টানাটানি। তাই, সুজন্দার কার্টুনটাকে এক পাশে রেখে রঙ করা নকল করলাম। তাও হচ্ছে না।

হুররর হট্‌!

ছবি
সামনে কী আছে, সে তো আল্লা মালুম।
আপাতত আশা করতে দোষ কী?

তাহসিন হক

ছবি
তাহসিন, আমাদের ম্যাক্স ভাইয়ের পিচ্চি। বয়স ১১ মাস।


রঙ করা এখনও হয় না! শুধু প্র্যাকটিসে কাজ হবে না আসলে, সঠিক টেকনিকটাও জানা দরকার।

জুনায়েদ কবীর

ছবি
স্কেচ কাগজে কলমে করে তারপরে স্ক্যান করে রঙ করা।
কম্প্যুতে নেয়ার পরে দেখি ভাল লাগছে না। অথচ আমার হাতে ধরা কাগজ, মানে যেটায় এঁকেছি, ওখানে দেখতে চমৎকার লাগছে। এই দুইরকম লাগার কারণ কী কে জানে!
রঙ করায় এখনো অনেক কাঁচা। ব্যাপক প্র্যাকটিস করতে হবে।

উমা'২০১০

ছবি
এইটা আমার করা তিন নম্বর কার্টুন।
রঙ করতে গিয়ে অনেক কিছু শিখছি।
আমার কাছে সবচেয়ে ভাল লাগছে সুজন্দার করা রঙ। প্রথমে একদম লাইট টোন দিয়ে পরে শেড দিয়ে দিয়ে ডার্ক করা। এরপরের বার এই বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে।

জারণ-বিজারণ

ছবি
কার্টুন আঁকার নেশায় পেয়েছে আমাকে!
কী বিষয়ে আঁকবো ভাবতে গিয়ে কামরুলের কাছ থেকে বহু আগে শোনা একটা গল্পের কথা মনে পড়লো। সেটাই কার্টুন বানিয়ে ফেললাম!


প্রথম স্ক্যান


কম্পোজিশান


ফাইনাল আউটপুট

তারা তিন-ভুজ

ছবি
কার্টুন আঁকিবার একখান প্রাণান্তকর চেষ্টা।
পেন্সিলে আঁকিতে পারি, কিন্তু সেটারে কেমন করে রঙ করে, কেমন করে ঢং করে, এইসব নিয়া বেশ হেজিমনিতে দিন কাটাইতেছি।
পেন্সিলে পিটাইয়া, ট্যাবলেট দিয়া চাবাইয়া, ফটুস্যুপ-এ মাখাইয়া শেষমেষ ঘন্টা তিনেকের সুমো-কুস্তির পরে এইখান বাইরাইলো।
সচলে পোস্টাইয়া দিলাম। জাঝাকুল্লা খাইর।


ক্যারেক্টার স্টাডি ১


ক্যারেক্টার স্টাডি ২



ক্যারেক্টার স্টাডি ৩


ড্রাফট


ফাইনাল আউটপুট

কাঠের সেনাপতিঃ আমার প্রথম বই

ছবি
ই-বুক পাওয়া যাচ্ছে এখানেঃ
বইদ্বীপ ডট কম- 
গুগল প্লে স্টোর
গুগল বুকস
আইবুকস 

হার্ড-কপিঃ
রকমারি ডট কম
বইমেলা ডট কম

* ফেইসবুক পেইজঃ কাঠের সেনাপতি- তারেক নূরুল হাসানের প্রথম বই 
*কাঠের সেনাপতি সম্পর্কিত লেখাপত্তরঃ ১/ অমিত আহমেদ- যে বইগুলোর অপেক্ষায়
২/ রাশেদ (নিবিড়)- ক্যাডেট কলেজ ব্লগ- তারেক ভাই এবং তার কাঠের সেনাপতি
৩/ আনোয়ার সাদাত শিমুল- কাঠের সেনাপতির সন্ধানে
৪/ নজরুল ইসলাম- কাঠের সেনাপতি ও বইমেলায় আড্ডা ম্যালা
৫/ বোহেমিয়ান- পাঠ প্রতিক্রিয়া 
৬/ নুশেরা আপু -ব্লগারের বই, অটোগ্রাফ এবং ... 
৭/ দময়ন্তীদি, গুরুচন্ডা৯র টইপত্তরে- টুপটাপ শব্দ কুড়িয়ে তৈরি বই

আরও কিছু লিংক, পাঠপ্রতিক্রিয়া, সাক্ষাৎকারঃ
১/আলভী আহমেদ- "কনফুসিয়াস- হৃদয়ে ছুরি চালানো লেখক"
২/ কৌশিক- "কনফুসিয়াসের সাথে করি বাংলায় চিৎকার"




বইটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে ক্লিক করুন এখানে- কাঠের সেনাপতিঃ আমার প্রথম বই।





দি নিউ ঢাকা অপেরা- ১

ছবি
সকালে ঘুম ভাঙলে পত্রিকাটা হাতে নিয়ে ঠিক করে ফেললাম আজই যাবো বইমেলায়।
যখন ছোট ছিলাম, একবার এক বন্ধুর সাথে কী নিয়ে যেন মন কষাকষি হলো। তারপর দীর্ঘ দিনের আড়ি, কেউ কারো সাথে কথা বলি না, দেখা হলেও এড়িয়ে চলি। লম্বা সময় বাদে যখন আবার কথা বলা শুরু করলাম, দেখি এতদিনের অনভ্যাসের কারণে কেবলই অস্বস্তি আর দ্বিধা।
প্রায় ছয় বছর বাদে এবারে যখন বইমেলায় ঢুকছিলাম, ঠিক সেরকম একটা অনুভূতি হচ্ছিলো মনে। টিএসসির কাছে এসে সিএনজি ছেড়ে দিতে হলো, রাস্তা বন্ধ, এখান থেকে হেঁটে যেতে হবে। তো হাঁটতে হাঁটতে দূর থেকে মেলার ফটক চোখে পড়তেই মনে হলো, দীর্ঘদিন বাদে পুরনো প্রেয়সীদের কারো সাথে যেন দেখা করতে চলেছি। মনের মধ্যে সেরকমই একটা সংকোচ!
কিন্তু আশ্চর্য হলো, মেলায় ঢোকা মাত্রই সে সংকোচ কেটে গেলো একেবারে। নিরাপত্তাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে যখন বাংলা একাডেমিতে ঢুকে গেলাম, মনে হলো কে বলেছে ছয় বছর, আমি ঠিক গতকালই এই মেলা ঘুরে গেছি।
বইমেলার চেহারা বদলে গেছে অনেক। অনেক বেশি পরিকল্পিত মনে হলো সবকিছু, সে জন্যেই পরিপাটী ভাবটা প্রবল। বাংলা একাডেমির মূল মেলার বাইরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও একাডেমীর সীমানা প্রাচীরের গা ঘেঁষে …