পোস্টগুলি

September, 2009 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আলভী আহমেদের পোস্ট

ছবি
মুগ্ধ পাঠক -২ : কনফুসিয়াস (হৃদয়ে ছুরি চালানো লেখক।)২০ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:১০

চুমুর মধ্যে ভেজা চুমুই ভাল। ঠোঁটের প্রান্তভাগ স্পর্শ করার সাথে সাথে নীচের ঠোঁটটা টুপ করে গিলে ফেলে জিভের সঙ্গে জিভ লাগিয়ে ----------- ।

খাটি গদ্য আমার কাছে অনেকটা ভেজা চুমুর মত মনে হয়। গদ্যের মধ্যে ভেজা ভেজা হৃদয়ে ছূরি চালানো গদ্য আমার ভাল লাগে ।

আমি নিশ্চিতভাবে জানি, ব্লগের সাহিত্যিকরা অন্য কথা বলবেন। হয়তবা আমার ছেলেমানুষীতে হেসেও নেবেন দু'একবার। কিন্তু, আমার পছন্দ এরকম। এজন্যই কন্ঠস্বর গোষ্ঠীর লেখকদের হিসেব করা, কঠিন কঠিন শব্দের মাপা গদ্যের চেয়ে সুনীলের গদ্যই আমার বেশি পছন্দ।

ভাবছেন, এর সাথে আমাদের কনফু'র সম্পর্ক কী?

সম্পর্ক আছে।

`যে জীবন দোয়েলের ফড়িঙের', মানুষ হয়েও এমন জীবন চায় যে কনফু - তার ব্যাপারে এটুকু ভূমিকার দরকার আছে।

কনফু'র গদ্য আমার এতটাই জাদুকরী মনে হয়, ও কী লিখেছে কখনো পড়বার প্রয়োজন বোধ করি না। হয়তবা, ও লিখেছে নেহায়ত সাধারণ কোনো ঘটনা, সাউথ আফ্রিকায় যাপিত জীবনের কথা। অথবা হুমায়ুন আজাদের বইয়ের রিভিউ, বা পুরনো দিনের নাটকের গানের কথা।

আমি গদ্যের বুণন, স…

এইসব সাদা কালো ফ্রেম-

আমার বাকশে থাকতো এতটুকু ছানা মিষ্টি,
আমার চোখের কোণে তোর আটকে থাকা মুখ
আমি বলতাম, বৃষ্টি!

ডাক শুনে হুঁ বলে তুই তাকাতি আমার দিকে,
তোর নীলচে সবুজ স্কার্টে বাদামী ধুলো-
তোর সাদা শার্ট আর সাদাটে ফুল চারদিকে

তোকে ডাকলাম কই, আমি বলতাম, বৃষ্টি নামবে দেখ।
তোর অবাক ভুরু- আচ্ছা পাজি তো-
তোর চোখে টলটলে মেঘ।

আমাদের বাড়ির ঠিক পাশেই, তোদের পাশের বাড়ি,
আমাদের পাশাপাশি ইশকুল, আমাদের রোদ্দুর কাড়াকাড়ি।

আমার তোবড়ানো স্যান্ডউইচ-
তোর বাকশের আলু পরোটা দিলে
আমরা পাশাপাশি বসে, কতগুলো দুপুর উড়ে উড়ে চলে।

আমার বাকশের গোল টিফিনের সাথে,
মাঝে মাঝে থাকতো আমার মন
তুই জানতি, ঠিকই টের পেতিস
তুই আঙুল ছুঁয়ে বসে থাকতি যখন।

সেই অনেক দূর থেকে ভেসে আসা এইসব সাদা কালো ফ্রেম
আমরা দূরান্তে বয়ে যাই, মনে পড়ে আমাদের টিফিন বেলার প্রেম।
-----------------------
২৭/০৮/০৯