বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২১, ২০০৮

ইতাক তুকে মানাইছেনাই রে

এই মিঠে-মন্দ রোদ আর বাতাসে পথ হাঁটতে গেলেই গা জুড়িয়ে আসে আরামে। খুব সাদা, অনেক কালো আর আমার মতন বাদামী রঙের মানুষদের মাঝখান দিয়ে অনায়াস দক্ষতায় গা বাঁচিয়ে পাশ কেটে কেটে হেঁটে বেড়াই। পথ চলতে, কানে ভেসে আসে নানান ভাষার কিচির-মিচির। তবু হঠাৎ কেউ যখন বাংলায় কথা কয়ে ওঠে, আনমনেই পা থেমে যায়। চিড়িয়াখানায় অনেক দিন আগে দেখা বন্দি সেই চিত্রল হরিণের মত কান খাড়া করে ফেলি, আরো খানিকটা কথা বলুক মানুষটা, আরও খানিকটা বাংলা না হয় শুনি।

আমাদের প্রতিবেশী হলো একটা ছোট্ট শিশু-পার্ক। গাছ-গাছালি তেমন নেই, মাঝখানে অনেকগুলো দোলনা, বেয়ে বেয়ে উঠে যাবার বা গড়িয়ে নেমে যাবার ছেলেমানুষী কাঠামো সব। প্রতি বিকেলে অনেকগুলো মানবশিশু, ঠিক যেন স্বর্গ থেকেই নেমে আসে এখানটায়। বাথটাবের ওপরে বহু যত্নে উঠে দাঁড়িয়ে একদিন আবিষ্কার করি, সেই স্বর্গছেড়াদের কেউ কেউ আধো আধো বোলে বাংলায় অভিমান করে তাদের বাবা-মায়ের সাথে। আমার আড়িপাতার হার দিনে দিনে বেড়ে যায়, ছোট্ট আর আদুরে সেই মুখগুলো থেকে মধু মাখা বাংলা শুনে শুনে মন জুড়িয়ে যায়।

বাড়ির পাশের পাঠাগার খুব অল্প সময়েই আমার প্রিয় জায়গা হয়ে দাঁড়ায়। সময়ের দারুণ টানাটানি, তবু সপ্তাহে একদিন গিয়ে ঢুঁ মারি ওখানে। একগাদা বই নিয়ে আসি, কিছু পড়ি কিছু পড়ি না, পড়া বইই বারে বারে পড়ি। এরকম চলতে চলতে মনে পড়ে আরেক পাঠাগারের কথা, বাংলা বই মেলে ওখানে। যেতে আসতে কমসে কম সত্তর কিলোমিটারের হ্যাপা, তবু মন টানে, একদিন ঠিকই সময় করে চলে যাই। নিয়ে আসি পড়া না পড়া অনেক বই। তারপরে রুটিন বদলে যায়, ওখানে যাওয়া আসার ঘনত্ব বেড়ে যায় আমার, বাড়ির পাশের পাঠাগার পর হয়ে যায়, পয়ত্রিশ মাইল দুরবর্তী কোন এক সতীনের অভিশাপে মশগুল সে তখন।

কোন এক রোদ্দুর ভরা দুপুরে শহরের মাঝ দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎই চমকে উঠি। অফিসফেরতা একগাদা মানুষ। কোট-স্যুট-টাই, পরিপাটী, অথবা কালো স্কার্ট আর সাদা শার্ট। এর মাঝেই, কি আশ্চর্য, গোলাপী রঙের সালোয়ার-কামিজ পরা এক কমবয়েসী মেয়ে দাঁড়িয়ে। ঠোঁটে টুকটুকে লাল লিপস্টিক, চোখে বিহ্বল দৃষ্টি। বুকের ওপরে হাতের ফাইলটা এমন করে ধরা, যেন কার্জন হলের গেটের পাশে দাঁড়িয়ে আছে ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হওয়া কোন সদ্য তরুনী।

আমাকে অবাক করে এই ভর দুপুরেই ওর সামনে এসে দাঁড়ায় চৈতালী বা শ্রাবণের লাস্ট বাস, ভেলপুরী হাতে নিয়ে ছুটতে ছুটতে বাস-মামার চোখে পড়ার চেষ্টায় ছুটছে সেই মেয়ে...।

এইসব দেখে আমি প্রতিনিয়ত চোখ বুজি। সমুদ্র পেরিয়ে কোন এক দুরবর্তী সবুজ দেশের কোন একটা লাল পাহাড় আমার মনের ভেতর গুন গুন করে গাইতে থাকে, ইতাক তুকে মানাইছেনাই রে, ইক্কেবারে মানাইছেনাই রে।

আমি মনের ভেতরে কান চেপে বসে থাকি, এইসব মিথ্যে গানের কী-ই বা মানে হয়!

শুক্রবার, আগস্ট ১৫, ২০০৮

প্রিয় বাংলাদেশ ২

চাঁদের শেষ মাথায় কেবলই ধূসর আর ধূলো
তার প্রান্ত রেখায় দাঁড়িয়ে-
ঘামে-কালো-চকচকে বাবা আমার-
গলায় মুয়াজ্জিনের আবেগ ভিড়িয়ে এনে
মেঘস্বরে ডেকে ওঠে- কানুরে, বাপ, ও কানুউহ--

আমি চকিতেই হাতের তালুতে লুকিয়ে ফেলি
আমার অলৌকিক ইস্টিমার।
আসাদের ছেঁড়া-ফাঁড়া শার্টের বুকপকেটে
ডুবে ডুবে উঁকি দেয়- দুএকটা জোনাকি।

বিলের পাথুরে কালো পানির উপর দিয়ে
তরতর আমি ছুটে গিয়ে হাঁকি- বাবাআ।

স্বপ্নদৃশ্যের জাল এভাবেই রোজ ছিঁড়ে গেলে,
শোল মাছের মরণ যন্ত্রণায় আমিও জেগে উঠি শয্যায়।

বুকের যে পাশটায় ফাঁকা ফাঁকা লাগে,
আমাকে আশ্বস্ত করে সেখানেই শুয়ে থাকে
বাবার পিঠে আঁকা একফালি সবুজ মানচিত্র।

১৪/০৮/০৮

( কোন সিরিজ টিরিজ না, অনেক আগে প্রিয় বাংলাদেশ নামে আরেকটা কবিতা লেখার চেষ্টা করেছিলাম, এ কারণেই এবারেরটা পরে ২ যুক্ত হলো।
আমি অবশ্য এই নম্বর-টম্বর নিয়ে খুব একটা ভাবিত নই, আজ অনেক দিনের বাদে আমার সেই প্রিয় কাকের ঘাড়ে চড়ে একটা কবিতা শেষমেষ আমার কাছ এসে পড়েছে, আমি তাতেই খুশি! )

ঝুম্পার সাথে দেখা-

আগে থেকে কোন রকম প্ল্যানিং ছিলো না, অন্য কি একটা বই খুঁজতে গিয়ে এখানকার লোকাল লাইব্রেরীর কোন একটা শেলফে একদম হঠাৎই চোখে পড়লো বইটা। ইনটারপ্রেটার অব মেলাডিজ। বইটার নাম শুনেছি আগে, কিন্তু আমার তখন অন্য লেখকের বই শেষ করার চিন্তা মাথায়, তাই নিবো না ঠিক করে দরকারী বইটা সাথে নিয়ে লাইব্রেরী থেকে বেরিয়ে পার্কিং-এ পৌঁছে যাই, তারপর হঠাৎ কি মনে করে আবার ওখান থেকে ফিরে এসে বইটা ইস্যু করে ফেলি।

ঝুম্পার সাথে শেষ মেষ আমার দেখা হলো এইরকম আচমকাই, নেহায়েত অনিচ্ছায়, অনেকটা দুইটা কিনলে একটা ফাউয়ের স্টাইলে দোকান থেকে তুলে নেয়ার মত।

তো, এই পরিচয়টা নিবিঢ় হতে খুব বেশি সময় লাগলো না। একটু অবশ্য লাগলো। আমি শুরুতেই বইটা পড়লাম না। অন্য যে বইটা পড়ছিলাম, ওটা বেশ দীর্ঘ একটা উপন্যাস। পড়তে পড়তে ক্লান্তি চলে এলে আমি মাঝে মাঝেই অন্য লেখায় ডুব দেই। এরকম অনেকবার হয়েছে যে একসাথে আমি দুই বা তিনটে বইও পড়া শুরু করেছি, এবং প্রায় একই সাথে সবগুলো পড়া শেষ করেছি। আমার তাতে কোন সমস্যা হয় না। অনেক উল্টা পাল্টাও করি। মাঝে একবার ইলিয়াসের নেশায় পেয়েছিলো, তো পড়তে পড়তে মাথা মাঝে মাঝে ভোঁ ভোঁ করতো, তখন হাল্কা কি পড়া যায় ভাবতে ভাবতে টেনে নিয়েছিলাম সিডনি শেলডন। কাজ হয়েছে এই যে ইলিয়াস মাথায় জমে গেছে, সিডনির বইটা শেষ করেছি অবশেষে, তবে ভদ্রলোকের সাথে আর কখনো আমার সাক্ষাৎ হবে কি না সেরকম একটা সন্দেহ আমার রয়েই গেছে।

তো, ঝুম্পার ব্যপারটা এরকমও হতে পারতো। খানিকটা রিস্ক তো ছিলোই। যে বিশাল বইটা পড়ছিলাম, পড়তে গিয়ে থামতে হচ্ছিলো প্রচুর। এরকম আগেও থেমেছি বহুবার হুমায়ুন আজাদ পড়ার সময়। বেশ যন্ত্রণা পেতে হতো আজাদ পড়তে গেলে। আমি চিরকালই দেখেছি আজাদ পাঠে কোন আরাম নেই, তবে আনন্দ আছে, আবার সেই আনন্দটা যন্ত্রণাদায়ক আনন্দ, খানিকটা পারভার্টেড আনন্দও বলা যায়।

কথা সেটা না, বলছিলাম ঝুম্পার কথা। তো, পড়ার ক্লান্তি কাটাতে ঝুম্পা লাহিড়িকে টেনে নিলাম, নিয়ে বুঝলাম ভুল করিনি।

ইন্টারপ্রেটার অব মেলাডিজ সব মিলিয়ে নয়টি গল্পের একটা সংকলন। বিভিন্ন সময়ে নিউ ইয়র্ক ও তার বাইরের নানা পত্রিকায় গল্পগুলো ছাপা। ঝুম্পার বাংগালি ব্যাকগ্রাউন্ড শুনেও বোধকরি আমি আরেকটু আগ্রহী হয়েছি।

বইয়ের প্রথম গল্পের নাম "এ টেম্পোরারি ম্যাটার"। একটা ছোট নোটিশ দিয়ে গল্পের শুরু, নোটিশের বক্তব্য অনেকটা এরকম- অত্র এলাকায় আগামী পাঁচদিন সন্ধ্যার পরে ঘন্টা দুয়েকের জন্যে বিদ্যুত থাকবে না। ব্যাপারটা সাময়িক, পাঁচদিন পরে আবার সব ঠিক হয়ে যাবে।

এখানে, মেলবোর্নে, মাঝে মাঝেই এরকম সব নোটিশ পাওয়া যায় পোস্ট বাক্স হাতালেই, রাস্তার কাজ হবে বা পানির কাজ বা হাবিজাবি আর কিছু, সিটি কাউন্সিল থেকে জানায় আমার সমস্যার জন্যে তারা অনেক দুঃখিত, বা এরকমই সব।

তো, এইরকম একটা নোটিশ নিয়ে গল্পটা কতদুর এগোয়, এটা দেখতে গিয়ে আমি বেশ চমকে গেলাম। ঝুম্পা অনেকটা সুড়ঙ্গের মত করে একটা বাড়িতে আমাকে টেনে নিয়ে গেলো, যেন ঠিক সামনে থেকে ডেকে ডেকে, যেন হারিকেন হাতে করে পথ দেখিয়ে।
এক জোড়া ভারতীয় দম্পতির পাঁচদিনের জীবন নিয়ে সেই কাহিনি, যেখানে তারা অতীত নিয়ে ব্যাথাতুর হয়, ভবিষ্যতের ভাবনায় চমকে ওঠে পরস্পরকে ভালবাসে বা ঘৃণা করে।

এই গল্পটা পড়ার পরে আমি এইবার বইটা নেড়ে চেড়ে দেখলাম। বইয়ের ফ্ল্যাপে অনেক সমালোচকদের ভাল ভাল কথা লেখা আছে, বইয়ের প্রচ্ছদে কালো হরফে লেখা আছে বেস্ট সেলার। এইসব কথাগুলোকে অবশ্য আমি খুব একটা বিশ্বাস করি না, প্রায় সব বইয়েই ভাল ভাল কথা লেখা থাকে, সব বইই কেমন করে জানি বেস্ট সেলার হয়ে যায়।

দ্বিতীয় গল্পটা আরও একটা চমক আমার জন্যে। গল্পের নাম- হোয়েন মি.পীরজাদা কেইম টু ডাইন। চমকাবার কারণ- এই গল্পের পটভূমি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ, তবে ঢাকা নয়। নিউইয়র্কে পড়াতে বা পড়তে যাওয়া কোন এক বাংলাদেশির গল্প এটা, যার নাম পীরজাদা। যুদ্ধের পুরোটা সময় এই ভদ্রলোক পরবাসে বসে কি এক অস্থিরতায় দিন কাটিয়েছেন, তারই গল্প এটা। আমার খুবই ভাল লাগল গল্পটা। সরাসরি যুদ্ধের তেমন কোন বর্ণনা নেই, তবু এটা একরকম আমাদের যুদ্ধেরই গল্প।

বাকি গল্পগুলোর প্রতিটিই বেশ চমৎকার। এ রিয়েল দারওয়ান- যেমন। এই গল্পটার ভঙ্গি অনেকটা রূপকথার গল্পের মতন। একদম শুরুটুকু পড়েই শেষটুকু জেনে গিয়েছিলাম যে কী হবে, তবু ঝুম্পার কাছ থেকে শোনার লোভেই পুরোটা পড়ে গেছি। অথবা "সেক্সি"- ছোট্ট এক বাচ্চার চোখে নিজেকে দেখার চেষ্টা। "মিসেস সেন'স", প্রবাসে থাকেন ভদ্রমহিলা, কিন্তু কিছুতেই গাড়ি চালানোটাকে বাগে আনতে পারছেন না, এই অদ্ভুত মনোদৈহিক টানাপোড়েন। বাকি গল্পগুলোও বেশ।

আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে- যে গল্পটার নামে বইটার নাম- সেই ইন্টারপ্রেটার অব মেলাডিজ গল্পটাই।
ভারতে বেড়াতে যায় এক দম্পতি, তাদের ট্যুর গাইডের পার্ট-টাইম জব হচ্ছে স্থানীয় এক ডাক্তারের সহকারী হিসেবে কাজ করা। ডাক্তার লোকাল ভাষা বুঝে না, রোগীরা তাই এসে তার কাছে রোগের বর্ণনা দেয়, আর ট্যুর-গাইড সেটাকে ইন্টারপ্রেট করে বলে ডাক্তারকে। এই অদ্ভুত দোভাষীর চাকরির কথা আমি কখনো শুনিনি। এটা জানাটা একটা আবিষ্কারই বটে। তারপরে গল্পের বুনোটে আরও বেশি জমে গেছি।

সব পড়ে টড়ে ভীষণই ভাল লাগলো। খুব ঝুট ঝামেলা নেই বর্ণনায়। চরিত্রের ভিড় ভাট্টা নেই। এমন করে গল্প বলে ঝুম্পা যেন আমাদের ঠিক পাশের বাড়ির মানুষদের গল্পই বলছে, সিঁড়ি দিয়ে উঠতে নামতে যাদের সাথে প্রায় প্রতিদিনই দেখা হয় আমাদের। এবং গল্প বলায় কোন জমাটি মেজাজ নেই। আসরে বলার মত করে গল্প বলা নয় সেটা। বরং- ব্যস্ততায় ছুটে যাবার ফাঁকে পরিচিতের সাথে যখন দেখা হয়, তখন দম ফেলার ফাঁকে হাত ধরে চট করে কুশল জিজ্ঞেস করার মত করে গল্প বলে যাওয়া- এমনই নির্লোভ নিপাট বর্ণনা।

সম্ভবত এই প্রথম বইয়ের মলাটে লেখা কোন একজন সমালোচকের একটা কথা আমার পছন্দ হলো। তিনি বলেছেন, ঝুম্পার গল্পগুলো এমনই যে পড়া শেষ করে ঠিক পাশের লোকটাকেই ধরে হাতে বইটা ধরিয়ে দিয়ে বলতে ইচ্ছে হবে, পড়ো এটা!

কথাটা ভীষণই সত্য। ঘরের লোককে ইতিমধ্যেই জোর করে পড়িয়েছি। এবার আশপাশে তাকিয়ে দেখি সবচে কাছে আছে সচলায়তন। এবার তাহলে আপনাদের পালা।
পড়ে ফেলুন দেখি বইটা।

শুক্রবার, আগস্ট ০৮, ২০০৮

সামহোয়্যারইনব্লগে দেয়া সাক্ষাৎকার

কনফুসিয়াসের সাথে করি বাংলায় চিৎকার

১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৩


".... করি বাংলায় চিৎকার..." না লিখে "বাংলায় চিৎকার করি" লেখা যেত। কিন্তু কনফুসিয়াস যখন লেখে তখন শব্দ-দ্যোতনা তৈরী হয়, হৃদয় খাবলে খায়, আর এমনি করে বাংলাব্লগস্ফিয়ারে "করি বাংলায় চিৎকার" বাংলাভাষার ব্রান্ড এম্বেসেডার হয়ে ওঠে। বুকফাঁটা চিৎকারে মাতম তুলে জানায়, বাংলায়, হ্যা বাংলায় আমি হাসি, কাঁদি, চিৎকার করি! এ মাতম ছুয়ে যায় জৈষ্ঠ্যের কৃষ্ণচুড়া, লালে সয়লাব হয়ে ওঠে চেরিরকুঞ্জে, হয় রাধাচুড়ার উৎসব, বরফের বুকে বাংলায় শ্যামলিমা, উহ! এই একটা উচ্চারণ কি স্ফুর্তি তোলে প্রবাসে, পরবাসে আর দেশের মাটিতে!

আগুণের পরশমনিতে বিখ্যাত কনফুসিয়াসের আবির্ভাব তাই নিঃসন্দেহে একটা মাইলফলক। জন্মযুদ্ধ, বীক্ষণসহ অসংখ্য বাংলা প্লাটফর্ম তৈরীর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তিনি। তার ব্লগের লেখায় একটা নির্মল টলমলে স্ফটিকস্বচ্ছতা রয়েছে। আজকে তার জীবনের ভাবনা আর বিশ্লেষনে আমরা অবগাহন করবো।

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আগুনের পরশমনিআগুনের পরশমনিআগুনের পরশমনি আগুনের পরশমনি ;
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৬

  • ১০৮ টি মন্তব্য
  • ১১০৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print





পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৫
comment by: হনুমানজী বলেছেন: যদি ম্যাতখার না করো তাইলে সব ফাইন
২. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৬
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: জার্মানী থেকে সুপ্রভাত!
৩. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: অমিত বলেছেন: কনফুসিয়াস নাম কেন ??
৪. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: কৌশিক বলেছেন: কনফুসিয়াস, আপনাকে অভিনন্দন। আপনার কাছে প্রথমেই আপনার নামের বিষয়ে জানতে চাইবো। কেন এ নাম?
৫. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৮
comment by: এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: ১। কনফুসিয়াসের লেখা লেখির অনুপ্রেরনা কে (বউ বাদে)?
২। লেখালেখির জীবিত এবং মৃত (যদি থাকে) আইডল কে?
৩। ব্লগিং কখন শুরু কেন শুরু?
৪। জীবনের লক্ষ্য কি?
৫। বড় কোন লেখার ইচ্ছে আছে?
৬. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩২
comment by: অমিত বলেছেন: ছদ্মনামের আড়ালে আসল মানুষটা নিজেকে কতখানি লুকাতে পারে ??
৭. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৩
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ১. আপনার একটা পোষ্ট লিখতে কতটুকু সময় লাগে?পোষ্ট করার আগে কতবার রিভিউ করেন? কতটুকু সময় নিয়ে করেন?

২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে আপনি যখন প্রজাপতি কে সাথে নিয়ে ক্যাফেটারিয়াতে খেতে যেতেন, তখন কি অন্য মেয়েদের দিকে তাকাতেন? (আমি প্রজাপতিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, উনি সঠিকভাবে বলতে পারেন নি। বরং বলেছেন, তাকানোর সম্ভাবনাই বেশী।)

৩. যতদুর জানি আপনার বসের নাম "সত্যজিৎ রায়"- আপনার লেখায় কোন লেখকের ছায়া সবচাইতে বেশী পাওয়ার সম্ভাবনা?
৮. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৪
comment by: হনুমানজী বলেছেন: ছাগুর কোন কার্যকলাপটি আমাকে বিষম আনন্দ দেয়
৯. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৪
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ৪. আপনার ক্যাডেট জীবনে যদি রুমমেট হিসাবে ত্রিভুজকে পাইতেন তাহা হইলে কি করিতেন?
১০. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
comment by: কৌশিক বলেছেন: ১. ব্লগস্পট ও সামহোয়ার দুটোতেই আপনি প্রচুর সময় দেন। নিজস্ব লেখালেখির ক্ষেত্রে দুটোর তুলনামূলক বিচার করুন?

২. আমার দেখা মতে পশ্চিমবংগীয় ব্লগারদের মধ্যে আপনার পরিচিতি ব্যাপক। বাংলা ব্লগীং এ বাংলাদেশ ও পশ্চিমবংগের ধারার মধ্যে কি কি সাদৃশ্য ও পার্থক্য লক্ষ করেন?

৩. বীক্ষণ নিয়ে পরবর্তি চিন্তাভাবনা কি?

৪. জন্মযুদ্ধ নিয়ে এ মুহূর্তে আপনার আর কি কি পরিকল্পনা রয়েছে?
১১. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫২
comment by: হিমু বলেছেন: কনফুসিয়াসের জন্য শুভ কামনা দিয়ে প্রশ্ন শুরু করি।

১. সামহোয়্যার ইন ব্লগের মূল সমস্যাগুলি কী কী বলে আপনার মনে হয়?

২. বাংলা ব্লগচর্চা ছোট গল্পের ধারায় একটা বড়সড় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারবে বলে মনে করেন কি?

৩. ব্লগে কিছু লিখে তার প্রায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া লাভ কি কোন নির্দিষ্ট ছকের দিকে ঠেলে দিতে পারে একজন ব্লগারকে?

৪. ব্লগে মডারেটরগোষ্ঠীর নিঃশব্দ পদচারণাকে কিভাবে দেখেন?

৫. বাংলাদেশ এবং ভারতীয় বাংলার ব্লগারদের মধ্যে ব্লগিংগত মূল পার্থক্যগুলো কী কী বলে আপনার মনে হয়েছে?
১২. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৫
comment by: কৌশিক বলেছেন: ১. ব্লগের কি কি সামাজিক দিকনির্দেশনা অভিনব ও অনুকরণীয় মনে হয় যা সমাজে অনুপস্থিত?
২. আমাদের সমাজব্যবস্থার কোন বিষয়টা আপনি পরিবর্তনে ইচ্ছুক?
৩. সমাজ ও রাষ্ট্রকাঠামোতে ধর্মকে বিচ্ছিন্ন রাখলে একটা দার্শনিক শূণ্যতা তৈরী হয় বলে অনেক আইডিওলজিস্ট মনে করেন। কিছুক্ষেত্রে তারা ধর্মকে পাশ্চত্য বা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার অবলম্বন হিসাবেও মনে করে থাকেন। বিষয়টাকে কিভাবে দেখেন?
৪. সামাজিক অবস্থানের ক্ষেত্রে নিজের বিবাহিত ও অবিবাহিত রূপটির কি কি বৈশিষ্ট্য আপনার কাছে পরিলক্ষিত হচ্ছে?
১৩. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:০৬
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: খেলুম না।আমি আইবার আগেই সবাই আমার কোশ্চেন গুলা জিগাইলা কেন তোমরা?
আমার প্রশ্ন পত্র কে ফাস করছে?
১৪. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:০৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমি হাজিরা দিতে এলাম। আস্তে ধীরে পড়ে উত্তর দিচ্ছি। কিন্তু শুরুতেই একটা কথা, প্রশ্ন কঠিন হলে কিন্তু আমি উত্তর দিবো না। এখন কোন কোন প্রশ্ন আমার কাছে কঠিন লাগবে, সেটা লাখ টাকার প্রশ্ন। :-)
১৫. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১০
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: কনফু,আপনাকে প্রশ্ন শুরু করছি ।

১/ ছদ্মনামে লেখাকে কিভাবে দেখেন?আসল নামে না লেখার কারন কী?

২/ব্লগে অনেক ভালো ভালো লেখকের দেখা পাই,যারা খুব মনোযোগ দিয়ে ব্লগিং করেন কিন্তু মূলধারায় লিখেন না।এটার কারন কী হতে পারে?

৩/বাংলা ব্লগিংয়ে ভবিষ্যত নিয়ে মন্তব্য করুন।

৪/ মন্তব্য করুন :"৫ বছর পরের সামহোয়্যার ইন। কী অর্জিত হবে ,কী হবে না"
১৬. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: নাম প্রসঙ্গেঃ
আমার নাম নিয়ে তেমন কোন রহস্য নেই। বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রের ভক্ত ছিলাম। ওখানের ঐ স্লোগানটা খুব প্রিয়- ' মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়।' মনে প্রাণে বিশ্বাস করি সেটা। খুঁজে পেতে জানলাম এটা নাকি কনফুসিয়াসের কথা। এসব ক্ষেত্রে আমি লিংকের মত কাজ করি। কনফুসিয়াস নিয়ে আরো কিছু পড়াশোনা করলাম। ব্যাটার কথাবার্তা বেশ পছন্দ হলো।
সে সময় নেটে নানারকম আড্ডা-র সাইটে ঘুরঘুর করতাম। ওখানে নামের জায়গায় নিজের নাম না দেয়াটাই নিরাপদ মনে হচ্ছিলো, তার বদলে লিখতে লাগলাম- কনফুসিয়াস।
এটাই শানে নূযুল।
১৭. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৮
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ মাহবুব মুর্শেদ,
১। অনুপ্রেরণা অনেকে। তবে খানিকটা সম্ভবত জিনেটিক্যালি পাওয়া। বাবা-র এই সমস্ত ক্ষেত্রে উৎসাহ ছিলো। এখনো আছে।
( বউয়ের কথা বাদ দেয়া ঠিক না। কৌশিকদার নোটিশ দেখে ইচ্ছা করছিলো ওনারে ধরে মাইর লাগাই। এ কথা বউরে বলতেই উলটা ঝাড়ি খাইলাম। আমি সুবোধ ছেলের মত এখন বসে বসে উত্তর দিচ্ছি, তার পেছনেও বউয়ের অবদান! )

২। তেমন কোন আইডল নেই। একেকসময় একেকজনের লেখা ভাল লাগে।
৩। গত বছরের জানুয়ারি থেকে ব্লগিং শুরু। সারাজীবনই লিখতে চেয়েছি, দেশের বাইরে এসে ব্লগের চেয়ে সহজলভ্য কোন মাধ্যম খুঁজে পেলাম না। তাই-ই ব্লগিং ।
৪। জীবনের লক্ষ্য- ঝামেলাহীন ভাবে খানিকটা শান্তিতে জীবনটা কাটিয়ে দেয়া।
৫। বড় লেখার ইচ্ছে আছে। ইচ্ছে আছে একসময় শুধুই লিখবো, আর কিছু করবো না।
১৮. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২০
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ অমিত,
ছদ্মনামের আড়ালে অনেকেই লুকাতে পারে। আমি একেবারেই পারি নি। সবাই আমারে চিনে! :-((
১৯. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২১
comment by: এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: ৫। তোমার মত ভাল লেখক না হলেও, আমারও সেরম ইচ্ছে করে। :(
২০. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৪
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ দ্রোহী,
১। সাধারণ পোষ্ট লিখতে খুব বেশি সময় লাগে না। রিভিউও করি সাধারণত পোষ্ট করে ফেলার পরে। তার আগে না।
২। চারপাশের মেয়েদের দিকে অবশ্যই তাকাতাম! প্রজাপতি জানবে কি করে বলেন? ওর চোখ আমার দিকে থাকলে তো! :-০
৩। হু, সত্যজিৎ-রে বস মানি। লেখা, আঁকা এবং সিনেমা, তিনটের ভূত একসাথে মাথায় ঢুকে বসে আছে অনেকদিন, সেটাই মূল কারণ।
আমার লেখায় কার ছাপ আছে সেটা আমার পক্ষে বলা মুশকিল। লিখতে তো চাই নিজের মত করেই, হয়তো পারি, হয়তো পারি না।
২১. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৫
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: হনুমানজী,
ছাগুর বেশিরভাগ কার্যকলাপই আমাকে বিষম বিরক্ত করে। আনন্দ দেয় এরকম কিছু একেবারেই খুঁজে পাচ্ছি না!
২২. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: দ্রোহী,
ক্যাডেট লাইফে যদি ত্রিভূজরে রুমমেট পাইতাম, আপনাদের তাইলে বহু আগেই আমার মাগফেরাত কামনার জন্যে হাত উঠাইতে হইতো।
নির্ঘাত সুইসাইড খাইতাম!
২৩. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৮
comment by: দ্রোহী বলেছেন: ৫. প্রজাপতিকে না পেলে কি করতেন?
২৪. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কৌশিকদা,
১। ব্লগস্পটে খুব একটা সময় দিতে হয় না এখন। সামহোয়্যারে লিখে ওখানে কপি মেরে দিই।
এখানে ব্লগিংটা অনেক মজার কারণ ইন্টারএকশানের জন্যে মানুষ প্রচুর। তবু ব্লগস্পটও আমার খুব প্রিয় জায়গা, মাঝে মাঝে ভিড়ে দমবন্ধ লাগলে ওখানে গিয়ে নির্জনে ব্লগিং করি। :-))

২। পশ্চিমবংগে বাংলায় ব্লগিং-টা বাংলাদেশের মত জনপ্রিয় হয় নি এখনো। অনুপাত খুঁজলে এখনো সেটা ১:৫ বা আরো বেশি হবে হয়তো।
ওখানে আমি পরিচিত, কারণ- বছর তিনেক আগেও বাংলাদেশিদের এরকম সাইট একটাও ছিল না। যেখানে বাংলালাইভ বা গুরুচন্ডালি অনেক আগে থেকেই অনলাইনে আছে। বাংলায় কথা বলবার লোভেই ওখানে বসে থাকতাম অবসর সময়ে। তাই সবাই সবার পরিচিত।

৩। ও ৪।
এই সব ক্ষেত্রে আমি খুব খারাপ মানুষ। দায়িত্ব ভাল লাগে না। গাছে তুলে মই কেড়ে নিয়ে ভেগে যাই। জন্মযুদ্ধের জন্যে পিয়াল ভাই আছে জানি, আর বীক্ষণের জন্যে সুচেতাদি। আমি তাই 'লাগলে আছি'।
এমনিতে আমার নিজের প্ল্যান হইলো- এসব নিয়ে যেকোন নতুন উদ্যোগের সাথে ঢুকে পড়া। কারণ, আমি জানি, শুরুটা করে দিলে সেটা একসময়ে হালে পানি পেয়ে যায়।
২৫. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ হিমু ভাই,
১। কারিগরি সমস্যা অনেক। ওগুলা আস্তে আস্তে ঠিক হবে আশা করি।
অন্য সমস্যার মধ্যে বলা যায়, ব্লগিং ব্যাপারটাকে অনেকে না চাইতেও খুব সিরিয়াসলি নিয়ে ফেলে। পারসোন্যাল লাইফেও সেটার খুব প্রভাব পড়ে যায়।
আমি চেষ্টা করি দুটার মধ্যে ক্ল্যাশ না করতে। ব্লগ জায়গাটা একটা মিছিলের মত। মিছিলের সবাই এক মন নিয়ে থাকে না, হেলাল হাফিজের কথা- মিছিলের সব হাত, কন্ঠ পা এক নয়, এখানে সংসারী থাকে, সংসার বিবাগীও থাকে। আমি তাই যতক্ষণ মিছিলে থাকি, মিছিলের স্লোগান দিই, সেখান থেকে বের হলে একদম নিজের মানুষ।

২। ব্লগচর্চা নতুন কোন ধারার সৃষ্টি করছে, এরকমটা এখনো জোর দিয়ে মনে হয় নি। তবে সব কিছুরই তো কিছু না কিছু প্রভাব আছেই। আগে থেকে যারা লিখেন, তাদের মধ্যে খুব একটা পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না। এখানেই যারা লিখতে লিখতে উঠছেন, তারা কিছু করলেও করতে পারেন।
২৬. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৪৯
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: না লিখতে পারলে কেমন লাগে?
২৭. ১৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫০
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ হিমু ভাই,
৩। নির্ভর করবে ব্লগারের উপর। অনেককে পারবে ছকে ফেলে দিতে। অনেককে পারবে না।
৪। মডারেটিং আমার ভাল লাগে না। সেটা যেখানেই হোক।
৫। ভারতীয় ব্লগারদের মধ্যে সিরিয়াস টাইপ লেখার চল বেশি দেখেছি। তুলনায় এ দেশীয়রা পাঁচমিশালী বিষয়ে লিখেন।
২৮. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কৌশিকদা,
১। ব্লগটাকে সমাজ থেকে আলাদা মনে হয় নি কখনো। একইরকম মানুষ দু জায়গায়। তাদের হাসি কান্না বা প্রতিক্রিয়ায় তেমন পার্থক্য পাই না।
২। সব মানুষকে সৎ বলে ভাবার সুযোগ পেতে চাই।
৩। এটা একটু কঠিন বিষয়।
অল্প কথায় বলি। সবকিছু পুরোপুরি অনুসরণ করা গেলে সমস্যা থাকে না আসলে। যদি পুরোপুরি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র করা যেত, তাহলে দেখতেন সবাই খুব শান্তিতে আছে। আবার পুরোপুরি সাম্রাজ্যবাদি সিস্টেমের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। সমস্যা বাধে যখন এক সিস্টেমের মধ্যে অন্যটা উঁকি দেয়।
বর্তমান সময়ে শুধু ধর্মিভিত্তিক সিস্টেম চলবে কি না, সেটা সমাজবিদেরা ভাল জানবেন। তবে আমার নিজস্ব ধারণা, ব্যাপারটা সম্ভব নয়। আমরা এতদিনে অনেক রকম স্বাদ পেয়ে গেছি। কোন একটায় আটকে থাকা সম্ভব হবে না আমাদের পক্ষে।
৪। নিজের বিবাহিত ও অবিবাহিত রূপের তুলনা করার সুযোগ পাই নি এখনো ভাল করে।
তবে আমার কাছে তেমন একটা পরিবর্তন মনে হচ্ছে না। আগে যারে বউ ডাকতাম, এখনো তারেই ডাকি। :-))
২৯. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ জেবতিক আরিফ,
১। ছদ্মনামে লেখাটায় সমস্যা দেখি না। একজন মানুষ একটা ছদ্মনামে লিখতেই পারেন। তবে একই জন যখন বিভিন্ন ছদ্মনামে কয়েকজন মানুষ হয়ে আসেন, তখন একটু অস্বস্তি বোধ করি।
আমারটা আসলে ছদ্মনাম নয়। বড়জোর 'নিক' বলা যায়- আমার আসল নামও প্রায় সবাই জানেন।

২। ভাল ব্লগাররা কেন মূল ধারায় লিখেন না, আমি ঠিক শিওর না। আমার ধারণা সবারই ইচ্ছে আছে, ইচ্ছে নেই এরকমতা মনে হয় না। তবে নিশ্চয়ই সেরকম সুযোগ পাওয়া সহজ হচ্ছে না।
৩। বাংলা ব্লগিং-এর ভবিষ্য এই মুহূর্তে ফিলিপ্স বাত্তির মত ফকফকা মনে হচ্ছে! :-))
৪। পাঁচ বছর অনেক লম্বা সময়। সেই সময় পর্যন্ত যদি সামহোয়্যার থাকতে পারে, তবে আসলে অনেক কিছুই অর্জিত হবে। অনেক ভাল লেখক পাবো আমরা, এবং সম্ভবত অনেকগুলো ভাল বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীও পাবো।
৩০. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ দ্রোহী,
৫। প্রজাপতিকে পাবো না বা পেতাম না, এ ব্যাপারটা এখন আর বিশ্বাস করি না। আমি জানি, যেখানেই থাকতাম বা যেতাম, একটা সময়ে আমাদের দেখা হতই। সেটা ফিজিক্স ল্যাব না হয়ে হয়তো পত্রিকা অফিস হতো, অথবা বইয়ের দোকান, অথবা পাবলিক লাইব্রেরির ফিল্ম শো! আমাদের দেখা হওয়াটা আমাদের অদৃষ্টেই ছিলো। পস্পরকে পাওয়াটা-ও।
৩১. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৪
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ বদ্দা,
নিজের ইচ্ছায় লিখতে পারি নাই, এরকমতা সাধারণত হয় নাই। তবে অন্য কেউ লেখা দিতে বলেছে কিন্তু আমি লিখতে পারছি না এরকম প্রায়শই হয়।
তখন অবশ্য আমার নিজের খুব একটা খারাপ লাগে না, যে লেখা চেয়েছে তার জন্যে খারাপ লাগে। :-))
৩২. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯
comment by: সুমন চৌধুরী বলেছেন: বুঝলাম।
৩৩. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৯
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ধন্যবাদ কনফু।
৩৪. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:০১
comment by: হাসান মোরশেদ বলেছেন: কনফুঃ
১।লেখায় নিজের উপস্থিতি, কোন ফরমেটে তোমার কাছে সহজ? গল্পের একজন হয়ে গল্প বলে যাওয়া নাকি গল্পের বাইরের একজন হিসেবে?
২।কেনো লিখো?
৩।লেখার কোন ধরনটা তোমার কাজে সহজ? যা দেখছি তা লিখে যাওয়া নাকি দেখা শেষে নিজের প্রেসক্রিপ্সন দেয়া?
আরেকটা কথা, কোনো প্রশ্ন নয় অবশ্য। শুধু সুযোগে জানিয়ে দেয়া । আমি তোমার মুগ্ধ পাঠক, সামহোয়ার যুগের আগে থেকেই । বাংলা লাইভে, ইশ্বরের রংধনু কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারীর লেখাগুলোর জন্য ।
শুভ কামনা ।

৩৫. ১৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমার প্রশ্ন: প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে, কি প্রশ্ন করা যায় খুঁজে পাচ্ছি না। এখন? :(
৩৬. ১৯ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ হাসান ভাই,
১। আমার কাছে সহজ লাগে গল্পের একজন হয়ে গল্প বলে যাওয়াটা। এ পর্যন্ত অল্প বিস্তর যে কয়টা গল্প লিখেছি, বেশিরভাগই উত্তম পুরুষে।
২। কেন লিখি? - এমনিতে আমি বাকপটু নই। কথা শুনতে বেশি ভালবাসি, বলি কম। সম্ভবত সেটা ব্যালেন্স করার জন্যেই লিখি । আমার সবরকমের স্বাচ্ছন্দ আমার লেখার মধ্যে। কথায় আমি দারুন কাঁচা!
৩। প্রেসক্রিপশান দিতে পারি না খুব একটা। সাধারণত দর্শক হিসেবে বর্ণনা করে যাই, ওটাই সহজ লাগে। এই ক্ষেত্রে আমি সম্ভবত রিপোর্টার শ্রেণীর। :-))

-----------
আপনার মত পাঠক পাওয়াটা সৌভাগ্যের ব্যাপার! এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে সংকোচ লাগছে।
আপনার লেখার আমি কেমন পাঠক, সেটা সুযোগ পেলেই জানিয়ে দিবো। ;-))
৩৭. ১৯ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি,
খুঁজে পেলে জানাবেন।
৩৮. ১৯ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: হযবরল বলেছেন: সুপ্রভাত কনফুসিয়াস।

আমার বন্ধু মানুষ, তাই এত সকালে কোশ্চেন করে বিব্রত করবো না। রাতে হবে জাঝাঁলো কোশ্চেন।
৩৯. ১৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:৪৬
comment by: প্রজাপতি বলেছেন: একটা সময় কবিতা দিয়েই শুরু, কবিতায় বসবাস। সেই জায়গা থেকে এখন গদ্যেই বেশি বিচরণ। কেন? কাক উড়ে গেলো কিন্তু ফিরে আসবে তো?
৪০. ১৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:৫২
comment by: লাল মিয়া বলেছেন: আইচ্ছা খারাপ কথা না বলা কি ভালো?
৪১. ১৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:৫৪
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: আপনি বোধহয় জানেন না প্রজাপতি।কনফুসিয়াস বিয়ে করে ফেলেছে।
আর বিয়ে করলে প্রতিভারা নষ্ট হয়ে যায়।হা:হা:হা:
৪২. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:০১
comment by: ধূসর ছায়া বলেছেন: কনফুসিয়াস কে? আমি চিনি না উনাকে । এমনকি উনার কোন লেখাও পড়িনি আমি । তাই আমিসহ যারা উনাকে চিনেন না তাদের হয়ে আপনার কাছে জানতে চাই, বিশদভাবে কি আপনার পরিচয়টা দিবেন ?
৪৩. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:০৬
comment by: প্রজাপতি বলেছেন: যদিও জেবতিক ভাইয়ের কাছে এখানে প্রশ্ন করার কথা না। কিন্তু উনি যেহেতু একটা উত্তর দিয়েছেন, তাই আরেকটা প্রশ্ন? ভালো গদ্য লিখাকে কি তাহলে প্রতিভা মনে করছেন না? হা হা হা।
৪৪. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:৩২
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: গদ্য লেখা মানে হইল মনিটরের দিকে অনেক্ষন চেয়ে থাকা।এতে করে বউয়ের কথা বেশি সময় ভুলে থাকা যায়।
এখন যে ভালো লেখে সে লেখলে তো ভালো লেখাই বের হবে,এতে তো তার কোন ক্রেডিট নাই।সে বাই ডিফল্ট ভালো লেখে,তাই ভুল করে লেখলেও ভালো হয়ে যায়।

কবিতা লিখতে যে মানসিক শান্তি লাগে,গদ্য লিখতে ততোটুকু লাগে না।
৪৫. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:৪০
comment by: প্রজাপতি বলেছেন: :-) তাই তো বলি, দুনিয়ার সব কবিই অবিবাহিত কেন? (তাই নাকি?)
৪৬. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: যাদের লেখা খুব মন দিয়ে পড়ি তবে কমেন্ট করার সাহস পাই না তাদের একজন হলো কনফু।
৪৭. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১:৪১
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: কি প্রশ্ন করা যায় কন তো ... অনেক ভাইবাও তো কিছু মাথায় আসতেছে না ...

আচ্ছা ঢুইকাই যখন পড়ছি তখন একটা প্রশ্ন কইরাই যাই ... :-)

"কেউ যদি ভালো লিখতে চায় তাহলে তার কি করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?"

(আগে যখন পোলাপান স্ট্যান্ড করত তখন সাম্বাদিকরা আপনার সাফল্যের গোপন রহস্য টাইপ প্রশ্ন করতো, সেই রকম একটা করলাম আরকি :-) )
৪৮. ২০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:০২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: এই সুযোগে একটা ডিসক্লেইমার দিয়ে নিই। করি বাংলায় চিৎকার- কথাটা আমার নিজের নয়। প্রতুল মুখার্জীর বিখ্যাত গান আমি বাংলায় গান গাই-এর একটা অংশে আছে, আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার, এখান থেকেই এই অংশটুকু নেয়া।
৪৯. ২০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৩
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: হযু ভাই,
ভয় দ্যাখান ক্যান গুরু?
৫০. ২০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৮
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: প্রজাপতি,
কবিতা আছে এখনো। অনেকদিন লেখা হয় নি, তা ঠিক। তবু এখনো মনের গভীরতম কথা ঠিকঠাক বলতে গেলে কবিতাই হয়ে ওঠে।
কবিতা কখনো আমাকে ছেড়ে গেলে নিঃস্ব হয়ে যাবো নিশ্চিত। সেরকম দিন যেন দেখতে না হয়!
কাক এখনো উড়ে চলে যায় নি, এমনটাই ভাবি আমি।
৫১. ২০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৮
comment by: হনুমানজী বলেছেন: জনাব আপনার বউবিনা জীবন আর কতদিন?
আর আপনার কি মনে হয় আমাদের দেস কোন দিকে যাচ্চে
৫২. ২০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:১৫
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ লাল মিয়া,
খারাপ কথা না বলা ভাল, তবে বলাটা মাঝে মাঝে জরুরি হয়ে দাঁড়ায়।

ধূসর ছায়া,
নতুন সিস্টেমে লিংক দিতে পারছি না। আপনি একটু কষ্ট করে গুগলে কনফুসিয়াস লিখে সার্চ দিন। পেয়ে যাবেন।

@ মাহবুব সুমন,
কমেন্ট করার সাহস পান না কেন রে ভাই? আমি বাঘও না ভাল্লুকও না। টেনেটুনে সাড়ে পাঁচ ফিটের ছোটখাটো মানুষ।
এরপর থেকে নির্ভয়ে কমেন্ট করবেন।

@ হনুমানজী,
বউ বিনা জীবন কয়দিন সেইটা এই মুহুর্তে অজি এম্বেসী জানে। ব্যাটারা কোন ঝামেলা না করলে আর বেশিদিন নাই।
আমাদের দেশ আহ্নিক গতির সমান বেগে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে যাচ্ছে।
৫৩. ২০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:২০
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কিংকর্তব্য,
লজ্জা দিলেন? স্বপ্নবাজির মত দারুন একটা লেখার লেখক হয়ে এই কথা বলা ঠিক না আপনার। :-))

যাক, তবু উত্তর দেই- কেউ যদি খুব ভাল লিখতে চায় তার সম্ভবত খুব বেশি বেশি পড়া উচিৎ। আমি যেহেতু খুব ভাল লিখি না, তাই সঠিক উত্তরটাও জানি না। :-((
৫৪. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫১
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: ৫৪ নম্বর কমেন্ট আমার!
কপাল খারাপ, দেরী করে ফেললাম। আগে সিরিয়াস প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি:
১) ফিফটি ফোর অর্থাৎ ৫৪ ধারা (বিশেষ ক্ষমতা আইন) নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?
২) কুমিল্লার রসমালাই নাকি টাঙ্গাইলের চমচম বেশী ভালো লাগে? দুটো মিশালে কেমন মনে হয়?
৩) ভাত ছাড়া আপনার অন্য প্রিয় খাবার কী?
৪) 'কাক' ভালো লাগার কারণ কী?
৫) 'স্বপ্নবাজ' মানুষ হিসেবে রাতে কী কী স্বপ্ন দ্যাখেন?
-----------------
আপাতত: এগুলো।
বিকেলের দিকে আরো ডজন খানেক প্রশ্ন নিয়ে হাজির হবো। :-)
৫৫. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৩
comment by: কৌশিক বলেছেন: ১. অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন আগে নাকি সামাজিক মূল্যবোধ বিনির্মান আগে? বিশেষত, যখন দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত বেশীর ভাগ সরকারী কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ?

২. বর্তমান সরকার দরিদ্র মানুষের উপার্জনের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করেছে বলে অনেকের অভিমত। কারণ মানি মবিলাইজেশন কমে যাওয়ায় ডেভলপিং কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি?

৩. দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির পরেও মানুষ খেয়ে পড়ে আছে এমন কথা বলেছিলেন খালেদা জিয়া তার ক্ষমতায় থাকাকালিন। তিনি এ দিয়ে বুঝাতে চেয়েছিলেন, দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। এ চিত্রের সাথে বর্তমান সরকারেরর ভূমিকাতে দ্রব্যমূল্যের যে উর্ধ্বগতি ঘটেছে সেখানেও দরিদ্র মানুষের উন্নতী হচ্ছে বলে ধরা নেয়া যায় কি? তারা তো খেতে পারছে!

৪. কালো টাকা সাদা করার সুযোগ সরকার বন্ধ করে দিচ্ছে। এতে কি কি লাভ, ক্ষতি হতে পারে বলে করেন?
৫৬. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: অভিযুক্ত কনফুসিয়াস র কাছে সাময়িক প্রশ্নমালা :

১. ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন ?
বিশ্বাস করলে, কেন?
(উত্তর দিতে ইচ্ছে না করলে বাদ দিয়েন)

২. প্রতিভা আর পরিশ্রম - সাফল্যের জন্যে দুটো জিনিষের কোনটা কতটুকু দরকার - বলে মনে করেন?
আপনার ইডিওলজি টা জানতে চাচ্ছি এই ব্যাপারে ?


৩. লেখালেখি তে কতটা সময় দেন ? (দিনের কত ভাগ অথবা সপ্তাহর কতটা - এভাবে বললেই হবে )

৪. আপনার নিজস্ব শৈশব নিয়ে লেখা তুলনামূলকভাবে কম - কেনো?
শৈশব নিয়ে কোন অদ্ভূতুড়ে নস্টালজিয়া অনুভব করেন না ?



::(আপাতত এই, পরের দিকে আবার হাজির হবো .. .

আর "আপনি", "আপনি" দেখে টাসকি খাওয়ার কোন কারণ নাই )
৫৭. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৪
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: একটু চামচামি করি ।

কনফু, প্রথম তোমার লেখা পড়ার পর - অদ্ভূত মুগ্ধ হয়েছিলাম - সেই মুগ্ধতাটা কখনোই কাটে নাই ।

তুমি "তুচ্ছ বিষয়" নিয়ে লিখলেও সেটা হয়ে ওঠে মহাকাব্যসম আর ছন্দময়।

(তুমিও তুচ্ছ জিনিষ নিয়ে লেখো - এইটা তোমার "একটি আইটি বিষয়ক কল্পকাহিনী" পড়ার আগে বিশ্বাস করতাম না ।)


সত্যি বলি - তোমার যে কোন লেখা পড়ার সময় আমার মনে হয় যে - কবিতা পড়ছি ।
শক্তিশালি গাথুঁনির সুর দিয়ে বাঁধা কবিতা !

কনফু রে ৫ এ ৫, সব কিছু মিলিয়ে - কোন বিশেষ লেখার জন্যে নয়।
৫৮. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৪
comment by: তেলাপোকা বলেছেন: প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে না। চিন্তাধারা জানা আছে। কাগজে কলমে নাকি সবাই নিউটন। তাই সেসব প্রশ্ন বাদদদ। আপাতত, আপনার প্রিয় ফুলের নাম বলেন ;)
৫৯. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৩
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: প্রথম প্রশ্নটা সংশোধন করবো ।
(প্রকাশভঙ্গি কিছুটা বায়াসড মনে হতে পারে, তাই ..)
-------------------------------
১. ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন ?
বিশ্বাস করলে, কেন?
বিশ্বাস না থাকলে, কেন?
----------------------------------
(উত্তর দিতে ইচ্ছে না করলে বাদ দিয়েন)
৬০. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৫
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: আমি লক্ষীবাজার-বনশ্রীতেই কাহিল। ফোন-এসএমএসো যথেষ্ট লাগে না। তুমি ক্যামনে পারো দূর পরবাসে এত বিরহে কাটাইতে?
৬১. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৯
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: কনফু,
মাশীদ-এর মত আপনিও একটা মিনি সিরিজ দেবেন নাকি কোন বাগানে কখন বিশেষ কোন এক প্রজাপতি'র সাথে আপনার কিভাবে সামাজিক ও মানবিক বিশেষণ যুক্ত হলো এবং অবশেষে প্রেম রসায়নে তা তরলায়িত হলো বিয়ে নামক স্ফটিকে রূপান্তরিত হলো?
প্রজাপতি,
দুনিয়ার সব কবিই যদি অবিবাহিত হয় তবে ধরে নিতে আমি কবি নই। আমি বিবাহিত। তবে মৃত নই।
৬২. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৩৮
comment by: কৌশিক বলেছেন: ১. বোঝা যাচ্ছে আপনি কনফুসিয়াস প্রভাবিত। কনফুসিয়াসের দর্শনের কোন বিষয়টা আপনাকে আকৃষ্ট করেছে?

২. বাংলাদেশের ধর্ম নিজস্ব সংস্কৃতির আবহে সংস্কার হয়ে দেশীয় দর্শন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি বলে আমাদের জাতীয়তাবাদ সে অর্থে শক্তিশালী নয় বলে অনেকে মনে করেন। যেমন আমাদের ধর্ম বলতে আমরা বিশ্বব্যাপী এই একই ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে একটা বন্ধন অনুভব করি, বাস্তবে যেটা একদমই ঠুনকো। আমাদের দেশীয় কৃষ্টি অনুযায়ী ধর্মীয় দর্শনগুলোর সংস্কার হওয়া উচিত বলে কি আপনি মনে করেন?

৩. আপনার জীবনপদ্ধতি কেমন? একজন বাঙালী হিসাবে সব পরিচয়গুলো স্পষ্ট করতে পছন্দ করতে চান নাকি পরিবর্তিত হয়ে যে রূপ গ্রহণ করে তেমনই হবে টাইপের দৃষ্টিভংগী পোষণ করেন?
৬৩. ২০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: জন্মযুদ্ধ নামটা তোমার দেওয়া। মাথায় ক্যামনে আসল এমন যুতসই একটা নাম? (অশেষ কৃতজ্ঞতা)
৬৪. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৯
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: আরো কয়েকটা প্রশ্ন করে রাখি:
৬) আপনি যেমনটা বলেছেন - পশ্চিমবাংলার চেয়ে বাংলাদেশে ব্লগিং এগিয়েছে বেশী, সাথে এটাও সত্যি যে পশ্চিমবাংলায় ইন্টারনেট আড্ডায় সাহিত্যের প্রভাব বেশী। এক্ষেত্রে আপনার মতামত কী? - বাংলাদেশের গদ্য চর্চার সাথে পাশ্চিমবাংলার গদ্য চর্চার কীভাবে তুলনা করবেন? কারা বেশী এগুচ্ছে?
৭) একই প্রেক্ষিতে - গদ্য ও পদ্য মিলিয়ে দুই বাংলাতেই নতুন এক জেনারেশন সৃষ্টি হচ্ছে, যারা সাহিত্যকে সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ঠ আগ্রহী এবং শক্তিশালী। তাহলে - ইলিয়াস-সমরেশ, সেলিনা-সুচিত্রা কিংবা হুমায়ুন-সুনীলের পর আরেক প্রজন্মে শমিত-তারেক, শ্যাজা-অনুপমা কিংবা এরকম আরো সম্ভবনার আগামীকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
৮) সাহিত্য কী আসলেই দুই বাংলার সেতুবন্ধ হয়ে উঠবে? নাকি 'ভাষা আজ অন্তরায়' হয়ে বেনাপোল বর্ডার প্রাধান্য পাবে?
৯) রাজনৈতিক ঘটনা কিংবা ইতিহাসকে অবলম্বন করে কোলকাতায় সাহিত্য অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে। সে তুলনায় বাংলাদেশের ৭১ নিয়ে লেখালেখি কেমন হয়েছে বলে মনে করেন? সমরেশ মজুমদারের লেখায় বিশেষ করে উপন্যাসগুলোয় নকশাল আন্দোলন যেভাবে এসেছে সেভাবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখকরা ৭১ নিয়ে কতটুকু লিখেছে বলে আপনার ধারণা? হুমায়ূন আহমদের 'জোছনা ও জননীর গল্প' সাহিত্যমানে কোন পর্যায়ের বলে আপনি মনে করেন? বেশী দামের কারণে বইটি অনেক পাঠক কিনতে পারেনি, এটাও সত্য। অথচ তুলনামূলকভাবে কোলকাতায় বইয়ের দাম কম। এ বাণিজ্যের ইস্যুটি কী আমাদের লেখকদের মনন নির্মাণে প্রতিবন্ধক?
১০) আমি যদি অভিযোগ করি - বাংলাদেশের তরুণ লেখকরা যেভাবে অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে লেখালেখি করছেন, পশ্চিমবাংলায় তেমনটি হচ্ছে না। ডেইলী সোপের মতো সাহিত্যেও ধর্ম বড় প্রভাব রাখছে। আপনি আমার সাথে কতটুকু একমত অথবা দ্বিমত পোষণ করবেন?
৬৫. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৯
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: ওরে, কত প্রশ্ন করে রে...!

@ শিমুল,
১। দেশের আইন অবশ্যই সার্বজনীন মানে সবার জন্যে হওয়া উচিৎ। আইন কানুনের আগে 'বিশেষ' শব্দ যুক্ত হওয়াটা আমার পছন্দ নয়। কারণ, তার ব্যবহারও যে 'বিশেষ' হবে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
২। অবশ্যই কুমিল্লার রসমালাই অনেক বেশি মজা!
মিশালে ভাল কিছু হবে না মনে হয়। রসমালাইই খেতে বেশি ভাল লাগে।
৩। খিচুড়ি, সাথে বুটের ডাল দিয়ে গরুর মাংস।
৪। আমার কবিতাগুলোর সাথে কাকের কা-কা- র মিল খুঁজে পাই। তাই কাক পছন্দ! ( সিরিয়াস উত্তরঃ কাকের মধ্যে একটা ড্যামকেয়ার ঋষিসুলভ ভাব আছে, সেটা ভাল লাগে।)
৫। সুখ স্বপ্ন দেখি।
৬৬. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: কনফু , প্রিয় লেখকদের তালিকায় চূড়াস্পর্শী ছিলে , আছো । তোমার কবিতায় কিছু চমকে দেওয়া ছন্দ মিল পাই আর আনন্দে নেচে উঠতে ইচ্ছে করে । সজোরে নয় , খুব উদাসী কাউকে কাঁধে আলতো ছুঁয়ে চমকে দেওয়ার মত - খুব মৃদু কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ভালো লাগা তৈরী করে তোমার কবিতা । আবার গদ্য গুলোও শিল্প গুনে কাব্য হয়ে ওঠে , দাদীর গল্প বলা মনে পড়ে । সহজিয়া ছন্দ ।

গদ্য , পদ্য দুটোরই ভক্ত আমি । তবু জানতে চাই, আবার কবে কবিতা লিখবে?
৬৭. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:০২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: কৌশিকদারে এই পাতায় ব্যান করা উচিৎ। আঁটঘাট বাইধা কঠিন কঠিন সব প্রশ্ন করে! অল্প কথায় এগুলার উত্তর দেয়া মুশকিল। প্রতিটার জন্যে আলাদা আলাদা পোষ্ট দরকার। :-((
তবু চেষ্টা করি-

@ কৌশিকদা,
১। কোনটাই আগে পরে নয়। দুটারই একসাথে শুরু হওয়া দরকার।
২। আমার ধারণা নেই এই ব্যাপারটা নিয়ে।
৩। গরীব মানুষ মরে যাবার আগ পর্যন্ত 'খেতে পায়' বলেই সবাই ধরে নেয়। এটাকে জীবনযাত্রার মানের সূচক বলে ধরে নেয়াটা আমাদের রাজনীতিকদের পক্ষেই কেবল সম্ভব।
৪। সরকারের লাভ হচ্ছে না। এখন যেটা হবে সরকারের জানার বাইরে থেকেই যা হবার হবে, কিন্তু কালো টাকা সাদা হওয়াটা থামবেনা, সেটা চলতেই থাকবে।
৬৮. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৮
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ সৌরভ,
১। ঈশ্বরে বিশ্বাস করি।
করি- কারণ এই নাতিদীর্ঘ জীবনে এমন অনেক পরিস্থিতির সামনে পড়েছি, যখন মনে হচ্ছিল যে কেবলই ডুবে যাচ্ছি এবং আঁকড়ে ধরে থাকবার মতন এমনকি একটা খড়কুটোও নেই, সেই সময়গুলোতে ঈশ্বরকে আঁকড়ে ধরেছিলাম।
ব্যাক্তিগত শান্তির জন্যেই ঈশ্বরে বিশ্বাস করি। স্বার্থপরের মত শোনালেও কথাটা সম্ভবত মিথ্যে নয়।
২। প্রতিভা ও পরিশ্রম, দুটাই এক চিমটি করে দরকার।
তবে প্রতিভাবানরা স্বভাবে অলস বলে পরিশ্রমীরাই বেশি সফল হয় বলে মনে হয়।
৩। এই মুহুর্তে ব্লগের বাইরে লেখালেখির জন্যে আলাদা সময় দেয়া হয় না। বাকি যেটুকু সময় পাই পড়ি। যা পাই তা-ই পড়ি।

৪। শৈশবের স্মৃতি ইচ্ছে করে ভুলে থাকি। আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটা আমার শৈশবের পুরোটা জুড়ে আছেন, যতদিন বেঁচে ছিলাম এবং থাকবো, তার প্রতিটা মুহুর্ত আমি যার কাছে ঋণী , আমার ছোটমামা, তাঁর বিয়োগব্যথাকে ভুলে থাকবার আর কোন উপায় আমার জানা নেই।

৬৯. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ তেলাপোকা,
কাগজে কলমে সবাই নিউটন- কথাটা পছন্দ হয়েছে।

প্রিয় ফুল গাছ- কৃষ্ণচূড়া। প্রিয় ফুলও সম্ভবত কৃষ্ণচূড়া-ই।
৭০. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৪
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কালপুরুষ,
আলাদা করে সিরিজ করার ইচ্ছে নেই। এমনিতেই তো প্রায়শই, টুকটাক চলে আসে কথায় কথায়।
৭১. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: সব বল ই তো ভালো খেলছো দেখি !

কমরেডস, কেউ একটা গুগলি-টুগলি জাতীয় বল দেন তো !
৭২. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩২
comment by: দলা পাকানো গু বলেছেন: কাস্টোমাইজেবল ফ্রন্ট পেজ সম্বন্ধে আপনার বক্তব্য এককথায় বলুন ।
৭৩. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৩
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ পিয়াল ভাই,
১। বিরহের ধাক্কাটা যায় ফোন বিলের উপর দিয়া! :-((
২। আগে এরকম হতো, একটা গল্প বা কবিতা লিখে কয়েকবার পড়ার পর মনে হতো এটা আমার আগেও কেউ একজন লিখেছেন, আগেও আমি কোথায় যেন পড়েছি!
জন্মযুদ্ধ- নামটা দেয়ার পর আমার এই কথাটাই বারবার মনে হচ্ছে, যেন এই নামটা আমার দেয়া নয়, আগে কোথাও পড়েছি!
কেমন করে মাথায় এলো? হৃদয় থেকে মাথার দূরত্ব কিন্তু খুব বেশি নয়! :-))
৭৪. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কৌশিকদা,
১। কনফুসিয়াসিজম কিন্তু এখন একটা ধর্মমত হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত!
আমার ভাল লাগে তার সহজ প্রকাশটা। খুব জটিল সব ব্যাপারের দিকেও তিনি সহজ দৃষ্টিতে তাকিয়েছেন, ব্যাখ্যাও করেছেন একদম আটপৌরে ভাবে। আমার মতন স্বল্পশিক্ষিতরাও খুব সহজেই রিলেট করতে পারে তার দর্শনের সাথে, এটাই বেশি ভাল লাগে।
২। বাংলাদেশের ধর্মীয় দর্শন একটা নির্দিষ্ট শ্রেণী বাদে বাকি সব মানুষের কাছে বর্তমানেও একটা সংস্কার হওয়া অবস্থাতেই আছে। এই ব্যাপারটা আসলে কারো হাতে নেই, সময় ও পরিবেশই মানুষের মাধ্যমে এই সংস্কারগুলো করিয়ে নেয়।
৩। আমার বাঙালী পরিচয়টাই সবার উপরে। আরো স্পেসিফিকভাবে, আমি মনে প্রাণে বাংলাদেশি।
জীবন পদ্ধতি একেবারেই সাধারণ। হাই এম্বিশাস নই, মরে যাবার আগ পর্যন্ত বেঁচে বর্তে থাকতে চাই।
৭৫. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:০৮
comment by: শুভ বলেছেন: কনফুসিয়াস,
আপনার স্মৃতি শক্তি কেমন?
চৈনিক দার্শনিক যে সব বাণী টানী দিয়েছিলেন সবগুলো কি আপনার মনে থাকে?
ধরা যাক, এই বাণীটা কি চৈনিক দার্শনিকের, নাকি অন্য কারও?
জাস্ট, হ্যাঁ বা না বললেই হবে।

`আমার প্রশ্ন: যে আঙ্গুলে টাইপ করেন, তার কোন ইন্সুরেন্স করা আছে কি?
(না করলে বস, এখুনি কইরা ফালান! শেন ওয়ার্নের বল ঘুরানো আঙ্গুলের চেয়েও আপনার ঐ একটা আঙ্গুল আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান।'Õ

হা হা হা।
৭৬. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:২৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ শিমুল,
আপনার প্রশ্নগুলোও কঠিন। কম কথায় ক্যামনে কি লিখি? :-((

৬। পশ্চিমবাংলার ইন্টারনেট আড্ডায় শুধু সাহিত্যের প্রভাব আছে বলে মনে করি না, আমি দেখেছি কারেন্ট এফেয়ার্স, মূলত পলিটিক্সের প্রভাব অনেক বেশি।
কারা বেশি এগুচ্ছে- এরকম তুলনায় যাওয়া সম্ভব নয়। তবে আমরা একটা ব্যাপারে বেশি সুবিধা পাচ্ছি- ওখানে বাংলাটাকে সার্ভাইভ করতে হচ্ছে অন্য অনেক কিছুর সাথে পাল্লা দিয়ে, আর আমরা এখানে সেই সময়টা পার করে এসে হাত খুলে লিখতে পারছি।
৭। শমিত-তারেক লিখলে আমি তো খুশিই, তবে শমিতদা নির্ঘাৎ দুঃখ পাবেন। :-), ওটা শমিত-রাসেল, অথবা সুমেরু-হিমু করে দিন। :-)
নতুন প্রজন্ম চিরকালই আশা জাগানীয়া।
৮। সাহিত্য দুই বাংলার সেতু বন্ধন হয়ে ওঠার দরকার ছিল। সীমান্তের নিয়ন্ত্রনে আছেন যারা, তাদের সদিচ্ছা নেই বলেই সম্ভব হচ্ছে না- এরকমটাই ভাবতাম। কিন্তু ইন্টারনেটে, যেখানে সীমান্তের বাঁধা নেই, সেখানেও ডাক দিয়ে আশানুরুপ সাড়া পাওয়া গেছে বলে মনে করি না।
আসলে, আমাদের সদিচ্ছার দরকার, এবং সহনশীলতারও দরকার।
৯। জোছনা ও জননীর গল্প পড়ার সুযোগ হয় নি এখনো।
পশ্চিমবাংলায় যেটা হয়েছে, জনপ্রিয় ঘরানার সাহিত্যিকেরাই তাদের ইতিহাস আশ্রয় করে লিখেছেন প্রচুর, আমাদের এখানে সেটা হয় নি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা লিখেছেন তারা সাধারণের কাছে পাঠকপ্রিয় নন হয়তো। এই ট্রেন্ডটা ভেঙে ফেলতে পারলে খুব ভাল হতো।
স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন দশক গেছে, এখনো হয় নি বলে ভবিষ্যতেও হবে না এরকমটা ভাবছি না। হবে, খুব শীঘ্রিই হবে।
বইয়ের দাম, একটা ইস্যু হয়ে ওঠা উচিত মনে বলে করি।
১০। অনেকটুকু দ্বিমত পোষন করবো। আমি নিজে যতটুকু দেখেছি, দু দিকেই এই অনুপাতটা কাছাকাছি।
৭৭. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩০
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: শুভ!,
মনে থাকবে না আবার! আপনাকে দেখে খুব খুশি হলাম। আপনি ডুব মেরে আছেন ক্যান বলেন দেখি? আপনারে না পাইয়া পাবলিক আমার মত 'চীনাপুটি'রে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়!
বুঝেন!
৭৮. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩১
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: রাগ ইমন,
আবার হয়তো দেখা হবে অন্য গানের ভোরে...।
৭৯. ২০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩২
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। একটু বিরতি দিলাম। পরে আরো প্রশ্ন নিয়ে হাজির হবো।
৮০. ২০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২০
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: কমন প্রশ্নটা করে ফেলি:
২০২০ সালে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান? অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক - এ ৩ প্রেক্ষিতে বলুন। আপনার ভাবনার সাথে বাস্তবে কতটুকু মিলবে বলে মনে করেন?
-------
আরো আছে...
৮১. ২০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: আগেরটা ১১ নম্বর প্রশ্ন ছিল।
আজকে আরো কয়েকটা -
১২) নিজের লেখা নিয়ে আপনি কতটুকু সন্তুষ্ট? কখনো মনে হয়েছে - যা লিখছেন তার চেয়ে ভালো লেখার ক্ষমতা আপনার আছে, ব্যস্ততা কিংবা অবহেলা করে গুছানো হচ্ছে না, এরকম কিছু?
১৩) জীবনে প্রথম কী লিখেছিলেন? কোনোটা কোথায় ছাপা হয়েছিল? সেইসব দিনের লেখালেখি নিয়ে অনুভূতি কি?
১৪) ক্যাডেট জীবন নিয়ে অনেকেই লেখালেখি করেছেন। কেউ কেউ উপন্যাসও লিখেছেন। আপনার লেখায় এ ব্যাপারটি আসে না কেন? (খুব ব্যক্তিগত প্রশ্ন হলে এড়িয়ে যেতে পারেন)
১৫) পাঠক হিসেবে 'প্রজাপতি'-র লেখার মূল্যায়ন করুন।
--------
আজ এ পর্যন্ত।
৮২. ২০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
comment by: সুমেরু বলেছেন: আমারো কিসু কথা আসে...

১) মানুষের সম্পর্কে তোমার কি ধারণা?
২) তোমার লেখায় রেফারেন্স কম। এতটা স্ববলম্বী কি হওয়া সম্ভব?
৩) আমি জানি তুমি খুবই কম লেখ। ব্লগিং কি তোমার লেখালিখির ক্ষতি করেছে?
৪) তোমার লেখায় বোনার একটা ব্যপার আছে। সেটা তুমি কতটা কনসাসলি বানাও?
৫) বাস্তবতা বলতে কি বুঝ? (থিয়োরি শুনতে চাই না)
৬) এস এম এস লিখতে কেমন লাগে? সেখানে ইউনিকোডের প্রয়োগ নিয়া তোমার ভাবনা কী ( রাগ করিস নে, সিরিয়াসলি জিগাই)?
৭) নিজস্ব কুমিল্লিয় ডায়ালেক্টে লেখ না কেন?
৮)দশ দিন না লিখতে পারলে কেমন লাগবে?
৯) তোমার বড় লেখা চাইছি তো অনেকদিন।কর্ম ব্যস্ততা ও মানসিক শান্তি ব্যতীত অন্য কোন অসুবিধা হয় বড় লেখা লিখতে ?
১০) ধ্বংস কেমন লাগে?



ব্যস আপাতত।
৮৩. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ শিমুল,
১১। ২০২০ মানে এখন থেকে এক যুগ পরে। এই সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ পুরোপুরি সঠিক ট্র্যাকে চলে আসবে এরকম আশা করছি না। তবে খুব ভাবতে ইচ্ছে করে, এরকম কাছাকাছি ভবিষ্যতেই আমরা উন্নতির পথে অনেক দূর এগিয়ে যাবো।
১২। নিজের লেখা নিয়ে সন্তুষ্টি নেই একেবারেই। যেটা আছে সেটা হলো নিখাদ সংকোচ। আমার লেখায় নাকি কনফিডেন্সের ছাপ আছে, কানে কানে বলি, সেটা আসলে পুরোটাই ভাব! নার্ভাসনেস কাটানোর একটা উপায় আর কি!
প্রতিবারই আগেরবারের চেয়ে ভাল লেখার চেষ্টা করি। পারবো, এমনটা আশা করেই করি।
১৩। প্রথম বোধহয় লিখেছিলাম কোন একটা ছড়া। পুরোনো ডায়রি খুঁজলে পাওয়া যেতে পারে।
স্কুল ম্যাগাজিনের বাইরে প্রথম ছাপা হয়েছিল 'নিমন্ত্রণ' নামে একটা ভুতুড়ে গল্প, রহস্যপত্রিকায়, সেটা ব্লগেও পোষ্ট করেছিলাম কোন এক সময়।
রহস্যপত্রিকায় লিখে সত্তর টাকা পেয়েছিলাম, ভীষন মজা পেয়েছিলাম সেটায়। ভার্সিটিতে ঢুকে কিছুদিন যুগান্তরের ফান ম্যাগাজিনে লিখেছিলাম নেহাৎ বাড়তি কিছু পকেট মানির জন্যে। পরে অফ মেরে গেছি।
১৪। ক্যাডেট লাইফটা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়। উপন্যাস ঠিক নয়, লিখতে হলে আসলে মহাকাব্য লিখতে হবে! সেই ভয়েই কিছু লিখি না! :-))
মজা করলাম। আসলে খুব সচেতন ভাবেই কিছু বলি না। ঐ সময়ের গল্প বললেও 'হোষ্টেল' বা 'স্কুল-কলেজ' বলে চালিয়ে দেই। কারণ, অনেক ছোটবেলা থেকেই দেখেছি ক্যাডেট বললেই বাড়তি কিছু মনোযোগ আকর্ষন করা হয়। সেটা সবসময় ভালো কিছু হয় না, সবসময়ে মন্দও নয়। কিন্তু আমি জাস্ট ওই মনোযোগটা এড়িয়ে চলতে ভালবাসি।
আরেকটা কারণ আছে, আমার এক বন্ধু বলে, একশ ছেলের মধ্যে যখন একটা ক্যাডেট থাকে সে তখন ঐ ছেলে গুলার মধ্যে সবচেয়ে সামাজিক, সবার সবচেয়ে ভাল বন্ধু! আর যদি দুইটা ক্যাডেট থাকে, ঐ দু'জন তখন সবার মধ্যে সবচেয়ে অসামাজিক মানুষ! বুঝে নিন তাহলে!
( বলি না বলি না করেও কত কথা বলে ফেললাম!!! )
১৫। পাঠক হিসেবে বলি, প্রজাপতি- খুব ভাল লিখে। খুব অল্প কথায় ও অনেক কিছু বলে দিতে পারে, আমাকে দিয়ে যেটা প্রায় কখনোই হয় না, আমি সবসময়েই বেশি কথা বলে ফেলি। খুব ভাল গান গায়, গান ভাল বুঝে, সে কারণেই হয়তো ওর লেখাগুলোও আমার কাছে প্রায়শই সুরময় মনে হয়।
সবসময়েই ওর লেখা পড়তে চাই, আরো নিয়মিত লিখুক, এটাই চাইবো ওর কাছে।
--------
আপনার প্রশ্নের কোটা শেষ! আমারে এবার ছাড়ান দ্যান!
৮৪. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৩৭
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ১. লেখক কনফুসিয়াসের লেখার পেছনে কেমন দর্শন কাজ করে?

২. ঝাল বেশি ভালো লাগে নাকি মিষ্টি? মানে এক থালায় দুটোই এগিয়ে দিলে কনফু কোনটার দিকে হাত বাড়াবে (এই মহুর্তে)?
৮৫. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ সুমেরুদা,
১। মানুষ সম্পর্কে আমার খুব উঁচু ধারণা। বিশ্বাস করি, স্রষ্টার পরে মানুষই অসীম ক্ষমতাবান।
২। বেশিরভাগ সময়েই নিজের কথা গালগল্পের মত করে বলে যাই। নিরেট তথ্য দেয়ার কাজটা খুব একটা করি না, তাইই বোধহয় রেফারেন্সের প্রয়োজন হয় না।
৩। ব্লগিং এর কারণে সিরিয়াস লেখালেখি খানিকটা কমেছে ঠিক, তবে এটাকে ক্ষতি বলবো না।
৪। বোনার ব্যাপারটা কনসাসলি হয় না বোধহয়। সবাই গল্প বলে, আমি পুরোপুরি গল্পও বলি না, মাথার মধ্যে পুরো দৃশ্যটা বানিয়ে ফেলি, পরবর্তীতে শুধু সেই দৃশ্যটা বর্ণনা করে যাই।
এটাই!
৫। যেটার মাঝে প্রতিনিয়ন বেঁচে আছি সেটাই বাস্তবতা। আলাদা কিছু বলে মনে হয় না।
৬। সারাক্ষণই এসএমএম লিখি। লিখতে ভাল লাগে। দেশে গিয়ে এবারে ইউনিকোডে বাংলা এসএমএস করে এলাম, আমার মজা-ই লেগেছে!
৭। এখনো সেরকম সুযোগ পাই নি। সময়ে অবশ্যই কুমিল্লার ডায়ালেক্ট অনেক ব্যবহার করবো।
৮। দশদিন লিখতে না পারলে সম্ভবত আমার পেটে পিলে হবে এবং আমি মরে যাবো!
৯। বড় লেখায় পরিশ্রম অনেক। অলসতা কাটিয়ে সেটুকু করতে পারাটাও আমার জন্যে বিরাট একটা সমস্যা!
১০। ধ্বংস ব্যপারটাকে রীতিমতন এনজয় করি!

--------
আপাতত না! তোমার কোটা-ও শেষ। নো মোর প্রশ্ন ফ্রম ইউ। আলবিদা।
৮৬. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪১
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ সাদিক ভাই,
১। বড় কিছু নয়, নিজের প্রতি ও লেখার প্রতি সৎ থাকার সহজ দর্শন কাজ করে।
২। এখন কিংবা তখন নয়, সবসময়েই মিষ্টির দিকে হাত বাড়াবো! :-))
৮৭. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:১৬
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ওয়াও, আমিও মিষ্টি-ফ্রীক ... যদি কখনো দেখা হয় তাইলে পাল্লা দিয়া খামুনে ... দেখমু কে কত খাইতে পারে ...

আচ্ছা আর দুইটা কোশ্চেন:
১. নিজের লেখায় যদি কখনো কোন সত্যি ঘটনা নিয়া (অথবা পাঠক যাতে সত্যি ঘটনা ভাবে এমন কইরা) লেখেন তাহলে তার মাঝে চাপাবাজি থাকে কি? থাকলে কতটুকু? (খেইপেন না, জাফর ইকবালই বলছেন, সিলি ফ্যাক্ট যোগ কইরা উনি কোন ভাল গল্পরে নষ্ট করেন না ... তাই জিগাইলাম আপনেও ঐ দর্শনে বিশ্বাসী কিনা )

২. নেক্সট আগুনের পরশমনিতে কারে ভাজি হইতে দেখতে চান?
৮৮. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: ১৬ নম্বর প্রশ্ন দিয়ে ষোলো আনা পূর্ণ করি -
আজকের কনফুসিয়াসের মধ্যে আগামীর সৈয়দ শামসুল হককে খুঁজে পাচ্ছি। আগামী দিনগুলোয় সব্যসাচী লেখক হিসেবে পাঠকের কাছে কনফুসিয়াসের কেমন দায়বদ্ধতা থাকবে?
৮৯. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:০৫
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: নিশ্চয়ই জমছে ... পরে সময় নিয়া পড়ব ... এখন কিছু প্রশ্ন করি

১. অর্থ বা সময় যদি কোন ফ্যাক্টর না হয়, তাহলে একমাসের জন্য পৃথিবীর কোনদেশে ঘুরতে যাবেন?
২. প্রজাপতির সাথে গেলে আর একা গেলে কি দেশগুলো ভিন্ন হবে?
৩. আপনার শখ কি? কতটুকু ফ্রিকোয়েন্সীতে শখ বদলায়?
৪. রিসেন্টলি পড়ে মজা পেয়েছেন এমন কোন টপিকের নাম বলুন।
৫. (সিরিয়াস) জন্মযুদ্ধের ব্যাপারে -- ধরুন দশ বছর পর সর্বজনস্বীকৃত একটা কথা হলো, 'জন্মযুদ্ধ প্রজেক্টটা সার্থক', আপনার কাছে এটা বলতে পারার জন্য কি কি রেজাল্ট নেসেসারী কন্ডিশন হবে?
৯০. ২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:১১
comment by: কৌশিক বলেছেন: ১. প্রিয় গান কি? কার গান ভাল লাগে? প্রিয়জনের কণ্ঠে কোন গানটি সবচেয়ে ভাল লাগে?

২. আপনার জীবনসংগীকে স্ত্রী নাকি পার্টনার কোন বিশেষণে বেশী আকর্ষণীয় মনে হয়?

৩. আপনি কিভাবে সংসারের কাজগুলো শেয়ার করতে চান?

৪. সন্তান জন্মদানের সময় স্ত্রীকে চাকুরী ছাড়তে বলবেন কি?
৯১. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১:৫১
comment by: আলভী বলেছেন: ১. নেশা এবং পেশা এক হলে সমস্যা আছে বলে মনে করেন?
২. 'যে কোন শিল্প, যতক্ষণ পর্যন্ত না শিল্পী জীবিকা হিসাবে গ্রহণ করে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই শিল্পীর শিল্পের বিকাশ হয় না' - কতটুকু একমত?
৯২. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:১১
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: কুংফু ভাই ভাগল নাকি?
৯৩. ২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
comment by: সুমেরু বলেছেন: আর কি!
৯৪. ২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কনফু গেল কই?
৯৫. ২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:০৩
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: কনফু, কই গেলেন? দেরী করলে আরো ডজন খানেক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেবো!
৯৬. ২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: কনফুর কাছে আমার শেষ প্রশ্ন:

১/ব্লগের মাধ্যমে সহজে প্রকাশ করা যাচ্ছে লেখা।'জাগো বালক'' জাতীয় কবিতা চোখের সামনে আসছে এবং বুঝে হোক না বুঝে হোক অনেকেই তাকে ৫ দিয়ে এবং ভালো হয়েছে বলে কমেন্ট দিচ্ছেন। এটা
কি প্রকারান্তরে সেই লেখকের ক্ষতি করছে না?

(আমার ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করি,পত্রিকায় লেখালেখি করার সময়,লেখার পর কয়েকবার কাটাকুটি করতাম,কারন মনে হতো আরেকটু গুছিয়ে না লিখলে আমার লেখা ছাপা হবে না।
কিন্তু ব্লগে কী লিখছি বুঝার আগেই উচ্চগতির ইন্টারনেট লেখাটিকে উড়িয়ে নিয়ে ফেলছে পাঠকের সামনে।গত ১ সপ্তাহে আমি অন্তত:আগের পোস্টগুলো থেকে ২০টি মুছেছি।ওগুলো আসলেই কিছু হয় নি,অথচ বেশ লিখে ফেলেছিলাম।)
৯৭. ২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
comment by: নাহিদ বলেছেন: এত মন্তব্য পড়তে পড়তে সময় গেল..তাই মন্তব্য করতে পারলাম না।।
৯৮. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:০৪
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: হাজিরা দিয়ে গেলাম।
শনি-রবিবার বাদে আসলে সময় বের করা খুব শক্ত। তবু টুকটাক উত্তর দিয়ে যাব।
৯৯. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কিংকর্তব্য-
১। ওরকম করে ভাবি নি কখনো। তবে এ ক্ষেত্রে সম্ভবত মূল ঘটনাটা না বদলে খানিকটা তেল-জল মেশানো যেতে পারে। পোয়েটিক রাইট আর কি!
২। আগুনের পরশমণি বড়ই যন্ত্রণার জিনিস! নেক্সট পর্বে কাকে ভাজি হবার অভিশাপ দিব তাই ভেবে দেখছি।
১০০. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:৫৮
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ শিমুল,
১৬ ( গররররররর! )।
সৈয়দ শামসুল নামটা চেনা চেনা লাগে, কিন্তু সব্যসাচী ভাইজান কোনজন? ওনারে তো চিনলাম না! :-))
( সৈয়দ হককে সাহিত্যিক হিসেবে খুব পছন্দ করি। গদ্যে পদ্যে আসলেই অনন্য। এরকম তুলনা করায় ভীষন সংকোচ লাগছে। :-))
পাঠকের কাছে দায়বদ্ধতা নিয়ে আলাদা করে ভাবি নি, তবে ভাল লেখার চেষ্টা করবো নিজের জন্যেই।
ধন্যবাদ।
১০১. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:০৯
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ জ্বিনের বাদশা,
১। প্রবাসে আসবার পর থেকে কোথাও যাবার কথা ভাবলেই বাংলাদেশের কথা মনে হয়!
আর যদি সেটাকে লিষ্টে না রাখি, তবে সম্ভবত ফ্রান্সে যাবো।
২। শখ যে কি সেটা এই মুহুর্তে ভেবে পাচ্ছি না। বই পড়াটা একসময় শখ ছিলো, কিন্তু এখন বোধহয় সেটা অন্ন বস্ত্রের মতন মৌলিক চাহিদা হয়ে গেছে!
৩। মজা পাওয়া উচিৎ ছিল না- তবু পড়ে ভীষন মজা পেয়েছি কৌশিকদার কবিতা সমালোচনার প্রথম পর্ব পড়ে।
৪। জন্মযুদ্ধের সর্বেসর্বা হচ্ছেন পিয়াল ভাই। উনি যে কেন তাতে আমার নাম ঢুকালেন আমি সেটা এখনো ভেবে পাই নি। বলতে গিয়ে একবার ঝাড়ি খেয়েছি তাই এখন বলিও না। যাকগে,
প্রজেক্ট সফল হবে তখুনি যখন মুক্তিযুদ্ধের রেফারেন্স দিতে গিয়ে সবাই সবার আগে জন্মযুদ্ধের নাম বলবে।
আরো অনেক কথা আছে, কিন্তু সেসব অনেক বিস্তৃত...।
১০২. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:১২
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ধন্যবাদ ... আপাতত কামনা করি নিকট অতীতেই প্যারিস ঘুরে আসবেন
আর লংটার্ম শুভকামনা জন্মযুদ্ধের জন্য
১০৩. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ কৌশিকদা, ( আপনার কোটা শ্যাষ! )
১। প্রিয় গান অনেক, প্রিয় শিল্পী অনেক। আমি টানা কয়েকদিন একই ধরণের গান শুনি।
এক নাম না জানা শিল্পীর একটা গান খুব শুনছি ক'দিন ধরে, ' আজ ঝড় ভালবাসা আনন্দে ভেসে যাওয়া, ডুবি ডুবি ভেসে উঠি, অঙ্গনে আমার... '।
এই মুহূর্তে এটাই আমার প্রিয় গান।
প্রিয়জনের কণ্ঠে সব গান ভাল লাগে।
২। কারো সাথে পরিচয় করাতে গেলে এখনো 'বন্ধু'-ই বলি। তাই মনে হয়, স্ত্রী বা পার্টনার নয়, বন্ধুই বেশি আকর্ষণীয়।
৩। সংসার এখনো শুরু করি নি। করলে ভাবা শুরু করবো। :-))
৪। এখনো জানি না।
১০৪. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২৭
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ আলভী,
১। আমি কোন সমস্যা দেখি না। বরং এরকম হওয়াটা সৌভাগ্যই মনে করি।
২। একমত নই। আমি এরকম 'জোরাজুরি'-তে বিশ্বাসী নই। মানুষ অনেক বেশি পটেনশিয়াল, শিল্পীরা আরো বেশি। এরকম যে কোন সম্পাদ্য বা উপপাদ্য তারা ভুল প্রমাণ করতে পারেন হেসে খেলে।
১০৫. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৩২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: @ জেবতিক আরিফ,
খুব বড় একটা পয়েন্ট এটা। এই ব্যাপারটা নিয়ে আমিও অনেক ভেবেছি। আপনার মত করেই, নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে। এবং আমারো মনে হয়েছে, এরকমটা হয়তো আসলেই খুব ভাল কোন ফল আনবে না।
কিন্তু শেষমেষ একটা কথা ভেবে মনে হলো, এই ব্যাপারটাও সার্বজনীন নয়। মানে সব লেখকের জন্যে খাটবে না সেটা। যদি সেরকম শক্ত মানসিকতার মানুষ হয়, তবে ৫ বা 'ভাল হয়েছে'-র পরেও নিজের ভুল ত্রুটি সে নিজেই দেখতে পাবে। অন্তত আমার মনে হয়েছে, আমি পারছি আমার নিজের লেখা থেকে অনেক লেখাকে নির্দয় ভাবে 'খারাপ লেখা' ভেবে ফেলে দিতে।

ধন্যবাদ আপনাকে। এবং বাকি সবাইকে।
১০৬. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার প্রশ্নোত্তর পড়ে একটা জিনিষ খেয়াল হলো।
আগুনের পরশমনি আসলেই বিশাল ঝামলার ব্যাপার।
১০৭. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: এই ব্যাপারে কোন দ্বিমত নাই।
:-((
১০৮. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: কনফুসিয়াস:
ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগলো আলাপ এ আলাপচারিতা। বিনয় এবং বিদ্রোহের সংমিশ্রণ আপনার ভাবনায়। অনেক শুভকামনা।