পোস্টগুলি

August, 2015 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বইদ্বীপ বিষয়ক আপডেট এবং সুখবর।

ছবি
বইদ্বীপ নিয়ে আরও কিছু কাজ এগিয়েছি। বইয়ের ইল্লেগাল শেয়ারিং এর ব্যাপারটা আটকানো যাচ্ছিল না কিছুতেই। এবারে ভাল একটা বুদ্ধি পেয়েছি। এরকম একটা নোটিশ দিয়েছি আপাতত বইদ্বীপে।  '' বাংলা ইবইকে পাঠকদের মুঠোফোনে পৌঁছে দেবার জন্যে আমরা উদ্যোগী হয়েছি আরও। এই পর্যায়ে বইদ্বীপের প্রায় সকল বই গুগল প্লে এবং গুগল বুক স্টোরে তুলে দেয়া হয়েছে। দেশ ও বিদেশের সকল পাঠক গুগল বুকে আমাদের লেখক বা বইয়ের নাম ধরে সার্চ দিলেই বইদ্বীপের বইগুলোর খোঁজ পেয়ে যাবেন।  আরও সুখবর হচ্ছে ধীরে ধীরে আমরা আইবুক স্টোরেও আমাদের বই তুলে দিচ্ছি। বেশিরভাগ বইয়ের কাজ শেষ হয়ে যাবে শীঘ্রই।  ভবিষ্যতে আমাদের পরিকল্পনা আছে বইদ্বীপের বইগুলোকে কেবল মাত্র গুগল বুক এবং আইবুক স্টোরের মাধ্যমেই পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার। '' প্লে বুক এবং আইবুক এর মাধ্যমে বই বিতরণের ফলে অবৈধ শেয়ারিং এর ব্যাপারটা আর থাকবে না। এর ফলে লেখকেরা বেশ খানিকটা শান্তিতে থাকতে পারবেন বলে আশা করতে পারি।  আরও একটা ভাল সুবিধা হয়েছে দেশের পাঠকদের জন্যে।  বইদ্বীপ থেকে তুলে দিচ্ছি কারণটা ঃ বাংলাদেশ থেকে পাঠকেরা বইদ্বীপের বই কিনবেন কী ভাবে? বাংলাদেশ থেকে পাঠকেরা গুগল বুকস এব…

মুখ ঢেকে যায় ...

ছবি
রাজপ্রাসাদের সৈন্যরা সব শেষ, উজিরের মরল খানিক আগেই, বীরবেশে আমি রাজার ঘরে ঢুকতে যেতেই রাজকন্যা ফোন দিলো, আমার মুঠোফোনের স্ক্রিনে ছবি সমেত নাম ভেসে উঠলো তার, কঙ্কাবতী! আমি তো চমকে উঠলাম। হাতের চকচকে খোলা তলোয়ার সাই করে বগলে চেপে অন্য হাতে কল রিসিভ করেই বললাম, হাআআলোওওও, নেমজ কুমারস, ডালিমস কুমারস! ফোনের অপর প্রান্ত থেকে কেউ একজন উদগ্রীব গলায় ডেকে উঠলো, কনফু, ঘুমাচ্ছিস?
ঘুম? আমি? ঘুউউম?
আরে তাই তো! বেঘোরে ঘুমুচ্ছিলাম, ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই রাজা উজির মারছিলাম বেশ। এবারে একদম ধপাস করে ঘুম ভেঙ্গে গেলো। রাজ্য রাজপাট সিংহাসন সব গায়েব। আমি ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলাম, কানে তখনও সোনার কাঠি রূপার কাঠি, আই মিন, ফোন।
অফিস-ফেরতা বউ কল দিয়েছে, শহর থেকে ফিরবার ট্রেন মাঝপথে আটকা পড়েছে, নিয়ে আসতে হবে গিয়ে।
খুব দ্রুতই রূপকথার ঘুম কাটিয়ে স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করলাম। ঠিকানা জেনে নিলাম ঝটপট, তারপরে গুগল ম্যাপে সার্চ, ম্যাপ জানালো ২৮ মিনিটের পথ। চিরকালীন অভ্যাসে নিচের বাটনে চাপ দিয়ে মোবাইলটা উইন্ডস্ক্রিনের হোল্ডারে চাপিয়ে দিয়ে শিষ বাজাতে বাজাতে গাড়ি স্টার্ট দিয়ে দিলাম, এবার গুগলই পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে।
পৌঁছতে যখন মিনিট …

আমার শহরে...

রীতিমতন কাকভেজা হয়ে গেছি, পেছন থেকে মামা তাড়া দিচ্ছিল তাড়াতাড়ি ঢুকে যেতে ঘরে, তবু দরজার সামনে পৌঁছে আনমনে দাঁড়িয়ে গেলাম হঠাৎ।
বৃষ্টি ঝরেই যাচ্ছে অবিরল, মাথা মৃদু ঝাঁকিয়ে খানিকটা বৃষ্টি ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করি আমি, কিছু ক্লান্তিও ঝরে পড়ে সাথে। কয়েক সেকেন্ড বিরতি দিয়ে অবশেষে বাসার দরজা দিয়ে ঢুকে পড়ি ভেতরে, বহুবার দেখা সিনেমার ছবিদের মতন পরিচিত ঘরদোর সব।
ডান হাতের ভারি ব্যাগটা বাহুল্যের মত জড়িয়ে ছিল যেন এতক্ষণ, সেটা নামিয়ে রেখে ধীর পায়ে আম্মার বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়াই আমি।
কেউ একজন এসে ইতিমধ্যেই বলে গেছে যে আমি এসেছি, আম্মা তাই তাকিয়েই ছিল এদিকে। আমি এসেছি বলে জ্বলজ্বল করছে তার চোখ দুটা। মুখে হাসির মত একটা ভঙ্গি করা, আমি দেখতে পাই তবু অনেক যন্ত্রণা মিশে আছে তাতে।
তোমার ছেলে ফিরে এসেছে আম্মা। কেউ বলে না, তবু মনে মনে শুনতে পাই আমি বলছি যেন ফিসফিসিয়ে, ফিরে এসেছে তোমার ছেলে, আম্মা।
গত কুড়ি বছর ধরে এভাবে বার বার ফিরে আসা আম্মার কাছে। কখনো কিছু মাসের বিরতিতে, কখনো কিছু দিনের, আর ইদানীং সেটা গড়িয়েছে কিছু বছরে। এই ফিরে আসার অনুভূতি তবু কখনও পুরনো হয় না। হাসিমুখ থেকেই আচমকা কান্না বেরিয়ে আসে তার। আমি প…