বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০০৯

গত কয় ঘন্টায় যা কিছু মাথায় এলো-

--> বিদ্রোহী বিডিআর-রা বলছে তাদের উপর অত্যাচারের কথা, তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা। অনেকেই ধারণা করছেন, ডালভাত কর্মসূচীর দুর্নীতি ও লাভের বখরা নিয়ে গোলযোগও এই বিষয়ে দায়ী।
--> জনমনে সমর্থন বা সহমর্মীতায় দেখা যাচ্ছে বিডিআর এগিয়ে আছে। কারণ স্পষ্টতই তাদের বিদ্রোহটা এখানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। সেনাবাহিনী জনগণের খুব পছন্দের কোন সেক্টর নয়। মিডিয়াতে বিদ্রোহী বিডিআরদের বক্তব্যও ভাল ভুমিকা রাখছে।

--> যদ্দুর জানি, বিডিআর সেনাবাহিনী বা সামরিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত নয়। তারা আধা-সামরিক বাহিনী। তবে তাদের প্রশাসনের দায়িত্বে থাকে সেনাবাহিনীর অফিসাররা।
--> সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত নয় কিন্তু তাদের দ্বারা পরিচালিত হয়, এরকম কোন প্রতিষ্ঠানই খুব একটা আনন্দে থাকে না। এটা আনসার বা বিডিআর হোক, সেনাচালিত ইশকুল কলেজ হোক অথবা ক্যামেরার আড়ালে আমাদের ক্রিকেট টিমের খেলোয়াড়রাই হোক।

--> সেনাবাহিনী থেকেই কেন বিডিআরদের উচ্চপদস্থ অফিসারদের নিয়োগ দেয়া হয়, এ বিষয়ক সরল-মতটি হলো, তাদের অফিসারদের রিক্রুট বা তার পরবর্তী ব্যায়বহুল প্রশিক্ষণের জন্যে আলাদা কোন অবকাঠামো আমাদের দেশে নেই। বিডিআর পরিচালনার জন্যে যে সংখ্যক অফিসার দরকার, তাদের প্রশিক্ষণের জন্যে আলাদা প্রশিক্ষণকেন্দ্রের যৌক্তিকতা তর্কসাপেক্ষ।

--> এই ঘটনার জন্যে পুরোপুরি দায়ী বিডিআরের অদক্ষ প্রশাসন। অসন্তোষ দানা বাঁধতে বাঁধতে এই পর্যায়ে যাওয়ার আগেই তাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ ছিলো।

--> অপরাধীও এখানে অবশ্যই বিডিআর প্রশাসন ( তাদের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে) এবং সেই সাথে বিদ্রোহী জওয়ানেরা। কারণ, কোন অবস্থাতেই অস্ত্র হাতে নিয়ে জনসাধারণের জানমালের ক্ষতি করে বিদ্রোহ করাটা সমর্থনযোগ্য নয়।

-->স্বায়ত্তশাসনের প্রশ্নটি অমূলক। রাষ্ট্র ঠিক করে দেবে কারা কাদের অধীনে চলবে, কারা কোন প্রতিষ্ঠান চালাবে। বিডিআর জওয়ানেরা তাদের ইচ্ছে মতো কর্মকর্তা নিয়োগের আশা করতে পারেন না। চাকুরীর আবেদনের সময়ই তারা ওয়াকিবহাল যে বিডিআর কারা পরিচালনা করে। একটা দুর্বল ও দুর্নীতিপরায়ণ প্রশাসনের অদক্ষতার ফলে সেই ব্যাক্তিদের অপসারণ দাবী করা যেতে পারে, কিন্তু প্রশাসনিক কাঠামো বদলের কোন যুক্তি নেই।

( সকাল ১০০৩)

আমার এক ছোট বোনের বাবার কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে না, যিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। গত রাতের কোন একটা সময়ে পাওয়া তথ্য-

এই মাত্র ***** ফোন করেছিল। বেশ কিছুক্ষণ আগে ওদের বাসায় জওয়ানরা ঢুকে আলমারি হাতড়ে অলংকার যা পেয়েছে নিয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পরপর জওয়ানরা বাসার দরজা ধাক্কাধাক্কি করে। বাইরে থেকে কথা বলে চলে যায়। অরাজকতার চূড়ান্ত।

***** বাসার বাইরে এক আত্মীয়ের বাসায় আছে। ওদের বাসায় মা, ভাই এবং কাজের বুয়া আছে এই মূহুর্তে। বাবার খবর ***** বা ওর মা কেউই জানেন না।

( সকাল ১০১৩)

ডিসক্লেইমারঃ এটি একটি অসমাপ্ত পোস্ট। ব্যাক্তিগত কারণে আর সমাপ্ত করার ইচ্ছে নেই। সুতরাং, এটি একটি পরিত্যাক্ত পোস্টও বটে। ( ১৯/০৩/০৯)