শুক্রবার, আগস্ট ১৫, ২০০৮

প্রিয় বাংলাদেশ ২

চাঁদের শেষ মাথায় কেবলই ধূসর আর ধূলো
তার প্রান্ত রেখায় দাঁড়িয়ে-
ঘামে-কালো-চকচকে বাবা আমার-
গলায় মুয়াজ্জিনের আবেগ ভিড়িয়ে এনে
মেঘস্বরে ডেকে ওঠে- কানুরে, বাপ, ও কানুউহ--

আমি চকিতেই হাতের তালুতে লুকিয়ে ফেলি
আমার অলৌকিক ইস্টিমার।
আসাদের ছেঁড়া-ফাঁড়া শার্টের বুকপকেটে
ডুবে ডুবে উঁকি দেয়- দুএকটা জোনাকি।

বিলের পাথুরে কালো পানির উপর দিয়ে
তরতর আমি ছুটে গিয়ে হাঁকি- বাবাআ।

স্বপ্নদৃশ্যের জাল এভাবেই রোজ ছিঁড়ে গেলে,
শোল মাছের মরণ যন্ত্রণায় আমিও জেগে উঠি শয্যায়।

বুকের যে পাশটায় ফাঁকা ফাঁকা লাগে,
আমাকে আশ্বস্ত করে সেখানেই শুয়ে থাকে
বাবার পিঠে আঁকা একফালি সবুজ মানচিত্র।

১৪/০৮/০৮

( কোন সিরিজ টিরিজ না, অনেক আগে প্রিয় বাংলাদেশ নামে আরেকটা কবিতা লেখার চেষ্টা করেছিলাম, এ কারণেই এবারেরটা পরে ২ যুক্ত হলো।
আমি অবশ্য এই নম্বর-টম্বর নিয়ে খুব একটা ভাবিত নই, আজ অনেক দিনের বাদে আমার সেই প্রিয় কাকের ঘাড়ে চড়ে একটা কবিতা শেষমেষ আমার কাছ এসে পড়েছে, আমি তাতেই খুশি! )