পোস্টগুলি

January, 2008 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নানা 'বর্ণে'র গালি

আমার এক বন্ধুর মামাত ভাই, বয়েস বেশি নয়। দেড় কি দুই। মাত্রই টুবলুশ গাল ফুলিয়ে টুকুস টাকুস করে কথা বলা শিখেছে। সবাই আনন্দে আত্মহারা। এরই মধ্যে কোন এক দৈব দুর্বিপাকে সে একটা 'গালি' শিখে ফেললো, 'কুত্তার বাচ্চা'! খেতে চাইছে না, জোর করা হচ্ছে, ব্যস দিয়ে ফেললো গালি।
বাড়িতে মেহমান এসেছে, কোলে নিতে চাইছে, ভাইজানের হয়ত মুড ভাল নেই। খানিক জোরাজুরির পরে অবধারিতভাবে বলে বসলো, "এই কুত্তাল বাত্তা, ছাল আমালে ছাল!'
বিরাট মুশকিল। তবে সমাধান বের হলো। তাকে আদর করে শিখিয়ে দেয়া হলো, এটা খুবই খারাপ কথা, এরকম বললে লোকে আদর করবে না।
তো সেই আদরে কাজ হলো, সেই পুঁচকা ভাইজান এখন কারও উপর রেগে গেলে চোখ মুখ বড় বড় করে বলে, " এই কুকুলেল বাবুটা, যা এখান থেকে, যা!'

*
খেলার মাঠে হরভজন 'বর্ণবাদী' গাল দিয়ে বসেছে সাইমন্ডসকে। বলেছে নাকি 'বানর'। এই গাল শুনতে হয়েছে সাইমন্ডসকে সর্বশেষ ভারত সফরেও। হরভজন বলেছে সে নাকি বানর বলে নি। ভারতীয় প্রতিনিধিরা ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, যদি ডেকেও থাকে, বানর শব্দটা উপমহাদেশে খুব খারাপ গালি নয়, বরং আদর করেই ডাকা হয় এটা।
দুই পড়েই আমার হাসি পেলো। এক, গাল দিয়ে…

লাট্টু - ২

১।
ইশকুলে পড়বার সময় বছরের শুরুর দিকে বেশ বিপাকে পড়ে যেতাম। ক্লাশের খাতার শিরোনামের পাশে যত্ন করে বার আর তারিখ লিখবার সময় সালের জায়গায় ভুল করে আগের বছরেরটা লিখে ফেলতাম। তারপর ইরেজার ঘষে ঘষে বিরক্ত মুখে ঠিক করে লিখতে হতো।
এখন আর সেই বিরক্ত হবার সুযোগ নেই। গুগল ডকসে চলে লেখালেখি। ওরা নিজেরাই কয়েক সেকেন্ড পর পর সব লেখা সেভ করে ফেলে। তারিখ তো বটেই এমনকি ঘন্টা মিনিট সময় সহ!
কাল রাতে হুট করে ড্রয়ার খুঁজে খুঁজে একটা পেন্সিল বের করেছি। আজ ভেবেছি সেই পেন্সিল দিয়ে দিন তারিখ দিয়ে একটা কিছু লিখবো ডায়রিতে।
কিছু একটা। কি যে সেটা, জানি না এখনো।

২।
নিউজিল্যান্ডে গিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বেশ নাকানি-চুবানি খাচ্ছে। প্রথম ওয়ানডে-র অল্প কিছু সময় খানিকটা হাসতে পেরেছিলো, বাকি পুরো সফরটাই শেষমেষ দুঃস্বপ্ন হয়ে যাবে কি না, সেটা নিয়ে এখন আর সংশয় নেই কোন।
আমি মন খারাপ করে প্রতিদিন ক্রিকইনফো খুলে বসি। স্কোর কার্ড দেখতে দেখতে ভাবি, আসলে সমস্যাটা কোথায় আমাদের?
হুম, ভেবে ভেবে যে শেষমেষ সমস্যার মূল বা তার সমাধান বের করে ফেলি, ব্যপারটা এমন নয়। তবু, মাথা চুলকে ভেবেই চলি অনেকক্ষণ।
ধারে কাছে কোথাও প্রফেসর শঙ্কু কিংবা বিজ্ঞানী সফদর…